টাকা দে, না হলে অপমান করবো!
টাকা দে না হলে অপমান করবো কইলাম। আমরা তো বছরে একবারই আসি, টাকা দিবি না কেন। সাতক্ষীরা পোষ্ট অফিস মোড় এলাকার আরমান কো-অপারেটিভ সোসাইটি মার্কেটে থাকা পত্রিকা অফিস, টেলিটক অফিসে শনিবার বেলা ৪টার দিকে বেশ কয়েকজন হিজড়া এভাবেই টাকা আদায় করলেন। তাদের আচরণ দেখে কেউ কোন শব্দ না করেই টাকা বের করে দিচ্ছেন।
সাতক্ষীরার স্থানীয় একটি পত্রিকার রিপোর্টার কামরুল ইসলাম বলেন, প্রথমে একজন, পরে তার পেছনে আরও বেশ কয়েকজন হিজড়া অফিসে ঢুকেই টাকা চাইতে শুরু করেন। কাছে টাকা নেই বলতেই বলেন, টাকা না দিলে অপমান করবো কিন্তু। বাধ্য হয়েই টাকা দিতে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শুধু আমাদের অফিস নয় পাশে থাকা টেলিটক অফিস, ভাগ্যকুল মিষ্টান্ন ভান্ডারসহ সব জায়গা থেকে নিয়েছেন। ঈদকে সামনে রেখে শহরের অলিগলি, অফিসপাড়া, দোকানপাট সব জায়গা থেকে নিচ্ছে। নিরুপায় হয়ে অনেকটা বাধ্য হয়েই সকলকে টাকা দিতে হচ্ছে। আর এভাবেই সাতক্ষীরা শহরের মধ্যে প্রত্যেকটি অফিস ও দোকানগুলোতে চলছে হিজড়াদের চাঁদাবাজি।
জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ পরিচলক দেবাশীষ সরদার বলেন, সাতক্ষীরা জেলার মধ্যে ৬৮ জন হিজড়া রয়েছে। এদের মধ্যে ৪০ জনকে আমরা ট্রেনিং দিয়ে কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নিয়েছি। সে সময় তাদের মানুষদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি নিষেধ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এভাবে চাঁদাবাজি বন্ধে নির্দেশনা থাকলেও তারা মানছেন না। পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য বিষয়টি জেলা প্রশাসক মহোদয়কে জানানো হবে।




