২ সপ্তাহ সহবাসের পর হবু স্ত্রীকে ফেলে পালালেন যুবক!
পরিবারে চরম দারিদ্র। তাই সতেরো বছরের মেয়ের বিয়ের কথা পাকা হতেই হবু বরের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হল। বাপের বাড়ির সম্মতিতেই শ্বশুরবাড়িতে যায় ওই নাবালিকা। বরও মহাখুশি! বিবাহ না করেই যদি বিবাহ পরবর্তী জীবন কাটানো যায়, গোপীর মতো লম্পটরা কখনও সেই সুযোগ কি ছাড়ে?
প্রায় দু’সপ্তাহ ধরে বাড়িতে রেখেই চলল ওই কিশোরীর সঙ্গে সহবাস করে হবু বর গোপী। বাবা-মা থাকা সত্ত্বেও বাড়িতেই এই ‘যৌন সম্পর্ক’ স্থাপন প্রক্রিয়া চলে দিনের পর দিন। দেখতে দেখতে কেটে যায় প্রায় ২ সপ্তাহ। কিন্তু তারপর হবু বরের মোহভঙ্গ হয়! ‘ফুলশয্যা’র পর ওই কিশোরীকে হাওড়া স্টেশনে ছেড়ে দিয়ে চম্পট দেয় অভিযুক্ত গোপী নায়েক। কিশোরীর কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁর জীবন থেকে বিয়ের রঙিন স্বপ্নগুলো যেন একে একে মুছে যেতে থাকে। যার উপর আস্থা রেখে বাবা-মা তার ভার তুলে দিয়েছিলেন, সেই লম্পটই যে এমন কাজটা করবে, ভাবতেও পারেনি ওই নাবালিকা।
আচমকাই হাওড়া স্টেশনে এসে পড়ে প্রথমটায় কিছুই বুঝে উঠতে পারেননি ওই কিশোরী। সম্পূর্ণ অচেনা অজানা এমন এক ব্যস্ত জায়গায় বড় অসহায় বোধ করে সে। প্ল্যাটফর্মে ঘুরে বেড়াতে থাকেন উদ্দেশ্যহীনভাবে। শেষ পর্যন্ত কিশোরী রুবি নায়েককে আরপিএফ হাওড়া স্টেশন থেকে উদ্ধার করে। রুবি জানিয়েছে, সে বিএনআর গার্ডেনে থাকে। তার বাবা-মা লোকের বাড়ি কাজ করেন। বড়ই অভাবের সংসার।
রুবির বিয়ে ঠিক হয় কোলাঘাটের গোপীর সঙ্গে। সেখানেই পাঠিয়ে দেওয়া হয় তাকে। গোপীর বাবা জগন নায়েক রুবিকে রেখে দেওয়ার পক্ষে সায় দেয়। অথচ, ছেলেকে যে শাসন করার কথা ছিল, সেটা তিনি করেননি। এর পর প্রায় দু’সপ্তাহ স্বামী-স্ত্রীর মতো বসবাস করে, গোপী আচমকাই হাওড়া স্টেশনে ছেড়ে দিয়ে যায় রুবিকে। রুবিকে উদ্ধার করে আরপিএফ চাইল্ড লাইনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।




