যেসব ক্রিকেটার ২ দেশের হয়ে ক্রিকেট খেলেছেন
রায়্যার ক্যাম্পবেল ৪৪ বছর বয়সে হংকংয়ের হয়ে এশিয়া কাপে অংশ নিয়েছিলেন। এর আগে ২০০২ সালে ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে খেলেছিলেন তিনি। কিকেটবিশ্বে ঠিক এমনই অনেক প্লেয়ার রয়েছেন যারা দুই দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। তবে এক্ষেত্রে তারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) নিয়ম-কানুন অনুসরণ করেছেন। অনেক ক্রিকেটার ব্যক্তিগত কারণ, দেশ বিভাগ কিংবা ভালো সুযোগ সুবিধার লোভেই অন্য দেশে পাড়ি জমিয়েছেন, সে দেশের হয়ে খেলেছেন।
পাঠকদের জন্য ঠিক তেমনই কয়েকজনের পরিচয় তুলে ধরা হলো।
বিলি মিডউন্টার-ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া

উইলিয়াম বিলি মিডউন্টারের জন্ম অস্ট্রেলিয়ায় হলেও তিনি ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া দুই দেশের হয়ে ক্রিকেট খেলেছেন। ১৮৭৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে তার টেস্ট অভিষেক হয়। খেলুড়ে জীবনে এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৮টি ও ইংল্যান্ডের হয়ে ৪টি টেস্টে অংশ নিয়েছেন। ইতিহাসে বিলিই একমাত্র ক্রিকেটার যিনি অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের হয়ে সামান্য সময়ের ব্যবধানে ক্রিকেট খেলেছেন।
বিলি মুরডোচ-অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড
অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক মুরডোচ ১৯ ম্যাচের ক্যারিয়ার জীবনে ১৬ ম্যাচই অস্ট্রেলিয়ার দায়িত্বে ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়াতে জন্ম নেয়া মুরডোচের টেস্ট অভিষেক হয় ১৯৭৭ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। পরবর্তীতে ১৮৯২ সালে ইংল্যান্ডে চলে যান এবং দেশটির হয়ে খেলা শুরু করেন।
জি জি ফ্যারিস-অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড

মুরডোচের মতো জীবন কাহিনি ফ্যারিসেরও। সে ১৮৭৭ থেকে ১৮৯০ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হয়ে অংশ নেন। পরবর্তীতে ১৮৯২ সালে ইংল্যান্ড পাড়ি জমান। নিউ সাউথ ওয়েলসে জন্মগ্রহনকারী ফ্যারিস তার ক্যারিয়ারে লেফট আর্ম সুইংয়ের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
স্যামি উডস-অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড

স্যামুয়েল মোজেস জেমস ওরফে স্যামি উডস একই সাথে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের হয়ে টেস্ট খেলার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন। মজার ব্যাপার হলো, ১৩ বছরের মতো ইংল্যান্ডের রাগবি ইউনিয়নের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি। একইসাথে পাঁচবছর অধিনায়কত্বও করেছেন রাগবি জাতীয় টুর্নামেন্টে। ফাস্ট বোলার স্যামি ১৬ বছর বয়সে ইংল্যান্ড পাড়ি জমান উচ্চ শিক্ষা লাভের উদ্দেশ্যে। সব মিলিয়ে তার ক্রিকেট ক্যারিয়ার ছিল খুবই স্বল্প। মোটে ছয়টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। যার তিনটি ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।
ফ্যাঙ্ক হেরেন-ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা

দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে জন্মগ্রহনকারী ফ্যাঙ্কের টেস্টে অভিষেক হওয় ১৮৯২ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। অলরাউন্ডার এই ক্রিকেটার ইংল্যান্ডের হয়ে দুটি টেস্ট এবং দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে চারটি টেস্ট খেলেছেন। মূলত তাদের পরিববারের বেশিরভাগ সদস্যই ক্রিকেটার। তার ভাই এলেক ও জর্জ ইংল্যান্ডের হয়ে ক্রিকেট খেলেছেন।-তথ্যসূত্র-ক্রিক. ট্যা./ক্রিক. ই.




