দ্বিতীয় বারের মত গণহত্যা দিবস পালনে প্রস্তুত বাঙালি জাতি
২৫ মার্চ “অপারেশন সার্চ লাইট” পরিচালনা ৭১ সালে গণহত্যা চালায় পাকিস্তান বাহিনী। জাতীয়ভাবে গণহত্যা দিবস পালন শুরু হয় মাত্র এক বছর আগে থেকে। স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর দ্বিতীয় বারের মত জাতীয় গণহত্যা দিবস পালন করবে বাংলাদেশ।
মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় গণহত্যা দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। সারাদেশে রাত ৯টা থেকে ৯টা এক মিনিট পর্যন্ত প্রতীকী ব্ল্যাক আউট অর্থাৎ সারাদেশ এক মিনিটের জন্য অন্ধকারে থাকবে।
২৫ মার্চ রাতে নিহতদের স্মরণে দেশব্যাপী সকল মসজিদ মন্দিরে মোনাজাত ও প্রার্থনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ ছাড়াও সকাল ৮টায় স্বাধীনতা স্তম্ব সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঢাকায় গণহত্যার ওপর দুর্লভ আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। সকাল ১০ টায় রক্তাক্ত ২৫ মার্চের গণহত্যার ইতিবৃত্ত শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে উক্ত স্থানে।
উক্ত আলোচনা সভায় মুখ্য আলোচক মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী। বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী। দিবসটিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ গ্রহণ করেছে নানা কর্মসূচি।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, সভা, সমাবেশ, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ইত্যাদি। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে (রবিবার) বিকাল ৪টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়ছে। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভায় ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সভায় উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।




