১৪-১৫ বছরের ছেলেটি প্রায় নিশ্চুপ হয়ে গেছে, এলোমেলো হয়ে গেছে তার সব স্বপ্ন
নিউজ ডেস্ক।।
তামজিদ বিন সুলতান। এবার ‘ও’ লেভেল পরীক্ষা দেবে। আগামী মে মাসে পরীক্ষা। ১৪-১৫ বছরের ছেলেটি প্রায় নিশ্চুপ হয়ে গেছে। এলোমেলো হয়ে গেছে তার সব স্বপ্ন। সব পরিকল্পনা। সারা দিন দুশ্চিন্তায় বিমূঢ় থাকেন সদ্য কৈশোরে পা রাখা ছেলেটি।
নেপালে বেসরকারি ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিমান দুর্ঘটনায় ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতান মারা যান। তামজিদের বাবা ছিলেন তিনি। এদিকে স্বামীর মৃত্যুর খবর সইতে না পেরে এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন আফসানা খানম। শেরেবাংলা নগরে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড হাসপাতালে তিনি আইসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
হাসপাতালের যুগ্ম পরিচালক বদরুল আলম বলেন, ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতানের সহধর্মিণী গত পরশু এই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তার দুবার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (স্ট্রোক) হয়েছিল। প্রথমবারে ছিল মৃদু, পরেরটি মারাত্মক।
এদিকে স্বামীর দাফন হয়ে গেছে সে কথা জানতেই পারেননি আফসানা খানম। তিনি হাসপাতালে এখন অচেতন।
আফসানার বড় বোনের স্বামী ইমতিয়াজ আহমেদ জানালেন, বাবাকে হারিয়ে ও মা’র এমন করুন অবস্থা দেখে তামজিদ বাকরুদ্ধ। গতকাল সন্ধ্যায় মাকে দেখতে হাসপাতালে এসেছিল। কিন্তু এখানে এসে তো কোনো লাভ নেই, কাউকেই দেখা করতে দেয়া হচ্ছে না। তামজিদ এখন উত্তরাতে তার ছোট খালার বাসায় আছে। গত সোমবার আর্মি স্টেডিয়ামে জানাজার পর আবিদকে বনানীর সামরিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। উৎস: বিডি-জার্নাল।




