207375

‘এপ্রিলে গ্রামের বাড়িতে এসে আম খাওয়ার কথা ছিল পৃথুলার’

‘এপ্রিল মাসে গ্রামের বাড়িতে আম খেতে আসার কথার ছিল পৃথুলা রশিদের। কিন্তু আর আসা হলো না। ছুটিতে এসে ঘুরে ফিরে বেড়াবে- এমন কথা বলেছিল। আমরা অপেক্ষা করছিলাম। কিন্তু সে আর কোনো দিন আসবে না।’

কথাগুলো বলছিলেন নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত সহকারী পাইলট পৃথুলা রশিদের (২৬) স্বজনরা।

তার গ্রামের বাড়ি যশোরের শার্শার ইলিশপুর গ্রামে। পৃথুলা রশিদ ওই গ্রামের কাজল হোসেন ও মা রাফেজা বেগমের একমাত্র সন্তান। তার মাতা একটি এনজিওতে চাকরি করেন। বাবা ব্যবসায়ী। বর্তমানে তারা ঢাকার বাসিন্দা।

চাচাতো বোন উম্মে ইলমা ও উম্মে জান্নাতি বলেন, ‘আপু আর কোনো দিন আমাদের মাঝে আসবে না।’

পৃথুলা ২০১৬ সালের জুলাইয়ে সহকারী পাইলট হিসেবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে যোগদান করেন। চাকরির কারণে গ্রামের বাড়ি আসা হতো না তার। তবে এবার মার্চের শেষে অথবা এপ্রিলের দিকে তার বাড়ি আসার কথা ছিল।

চাচা কামাল হোসেন ও সহিদুল আলাল জানান, আমাদের সব স্বপ্ন ভেঙে গেছে। ও শুধু আমাদের সম্পদ না। দেশের সম্পদ ছিল।

ad

পাঠকের মতামত