206390

যেভাবে অপুকে প্রপোজ করেছিলেন শাকিব

২০০৮ সালের ১৭ এপ্রিল। আমরা আশুলিয়ার প্রিয়াঙ্কা শুটিং স্পটে সোহানুর রহমান সোহান ভাইয়ের কথা দাও সাথী হবে ছবির কাজ করলাম। কাজ শেষে শাকিব বলল, তোমার সঙ্গে জরুরি কথা আছে। সন্ধ্যায় অবশ্যই দেখা করতে হবে। তার মুখ থেকে যে কথাটি শোনার জন্য এতদিন অধীর হয়ে ছিলাম। এক সময় ও বলল আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই এবং তা আগামীকালই।

আরও পড়ুন
দুই কারণে শাকিব-অপুর বিচ্ছেদ

একজন হিরোইনকে নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। তাকে বলেছিলাম, একটা জুনিয়র আর্টিস্ট আমাকে নিয়ে কথা বলবে আর তুমি সেখানে চুপ করে থাকবে? সে আমার কথায় পাত্তা দেইনি। তার মানে সে আমাকে সম্মান করেনি। তার প্রতি আমার অনুরোধ ছিল সে যেন বুবলীর সঙ্গে আর অভিনয় না করে। কিন্তু ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল যখন একটি পত্রিকায় দেখলাম ওরা জুটি বেঁধে রংবাজ ছবিতে অভিনয় করতে যাচ্ছে তখন আর রাগ সংবরণ করতে পারিনি। ওই দিন বিকালেই টিভি চ্যানেলে লাইভে গিয়ে দীর্ঘদিন গোপনে থাকা বিয়ে ও সন্তানের বিষয়টি প্রকাশ্যে নিয়ে আসি। এরপর থেকেই আমাদের সম্পর্কের টানাপড়েন শুরু হয়।

বিচ্ছেদের দ্বিতীয় কারণ হলো সন্তান জয়। কলকাতার একটি ক্লিনিকে ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর জন্ম হয় আবরাম খান জয়ের। শাকিব চায়নি আমাদের সন্তান পৃথিবীতে আসুক। এজন্য অ্যাবরশন করাতে প্রথমে ব্যাংকক পরে কলকাতার একটি ক্লিনিকে শাকিব তার চাচাতো ভাই মনিরকে দিয়ে আমাকে পাঠায়। চিকিৎসক সাফ জানিয়ে দেন অ্যাবরশন করার স্টেজ আর নেই। তাই বাচ্চা জন্ম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। আর এই সিদ্ধান্তই আমার জন্য কাল হয়ে দাঁড়াল।

শাকিব জানিয়ে দিল সন্তানের জন্ম হলে সে আমাকে ডিভোর্স দেবে। যখন কলকাতার ক্লিনিকে জয়ের জন্ম হচ্ছিল তখন শাকিব কলকাতায় শিকারি ছবির শুটিং করছিল। বার বার অনুরোধ সত্ত্বেও একটিবারের জন্যও সে আমাকে বা বাচ্চাকে দেখতে আসেনি। এরপর ৮ মাস তার অনুরোধে বাচ্চা জন্মের খবরটাও গোপন রাখলাম। বুবলীর সঙ্গে কাজ না করার অনুরোধ না রাখায় বাধ্য হয়ে গোপন বিয়ে আর সন্তানের খবর আমাকে প্রকাশ্যে আনতে হলো। আর এই দুইয়ের পরিণতি হলো ডিভোর্স।

ad

পাঠকের মতামত