হিটলারের ১০টি অজানা তথ্য, যা আপনি জানতে না
এক সময়ের পরাক্রমশালী হিটলারকে নিয়ে আমাদের কৌতূহলের শেষ নেই। তার জীবনে রয়েছে বেশ কিছু মজার মজার কাহিনী। রয়েছে বেশ কিছু ব্যাতিক্রমী বৈশিষ্ট্য। ১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল স্ত্রী ইভা ব্রাউন এবং হিটলার একসাথেই আত্মহত্যা করেন। আপনি কি জানেন ১৯৩৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য হিটলারকে মনোনীত করা হয়েছিল! হিটলার জার্মানিতে জন্মগ্রহণ না করেও জার্মানির চ্যন্সেলর হয়েছিলেন। অথচ তিনি জন্ম নিয়েছিলেন অস্ট্রিয়ায়। এমন অজানা ১০ মজার তথ্য জানাবো আজ…
১. হিটলার কখনও কোন পারফিউম বা সুগন্ধি ব্যবহার করতেন না।
২. যত গরমই লাগুক না কেন তিনি জনসম্মুখে কখনও তার ব্যবহৃত কোটটি খুলতেন না।
৩. যদি হিটলার ওয়াগনার বা অপেরা সম্বন্ধে কিছু বলতে শুরু করতেন কারও সাহস ছিল না তার কথার মাঝে কথা বলার। এমন কি শ্রোতারা একপর্যায়ে যদি ঝিমিয়েও পড়তেন তবুও তিনি কথা থামাতেন না।
৪. হিটলারের হাতের লেখা ছিল একেবারে নিখুঁত। ১৯৩৭ সালে বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক কার্ল জাং হিটলারের একটি লেখা দেখে মন্তব্য করেন- এই হাতের লেখা দেখে আমাকে স্বীকার করতেই হয় যে এটা মেয়েলী প্রকৃতির।
৫. হিটলারের বিনোদনের জন্য তার অধীনস্থ কর্মচারীরা সঙ্গোপনে রাজবন্দীদের নির্যাতন ও তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ভিডিওচিত্র দিয়ে চলচ্চিত্র বানাতেন। বলাই বাহুল্য, এ ধরনের চলচ্চিত্র বেশ উপভোগ করতেন তিনি। হিটলারের নির্বাহী সহযোগী কর্মকর্তারা তার জন্য পর্নো ও চলচ্চিত্রও সংরক্ষণ করে রাখতেন।
৬. অ্যামেরিকান কলেজ’ ফুটবলে যে ধরনের মিউজিক ব্যবহার করা হয়, সাধারণ আম-জনতার মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে দিতে হিটলার তার বক্তৃতার সময় সে ধরনের মিউজিক ব্যবহার করতেন। অ্যামেরিকান ফুটবলের চিয়ারলিডাররা দর্শকদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য যে কৌশল অনুসরণ করতো, সেই একই কৌশল অবলম্বন করে সভা-সমাবেশে ‘সিয়েগ হেইল!’ বলে শ্লোগান দিয়ে দর্শকদের উজ্জীবিত করতেন হিটলার।
৭. হিটলার সার্কাস দেখতে পছন্দ করতেন। সার্কাসের কসরতকারীদের ঝুঁকিপূর্ণ অভিনয় হিটলারকে বেশি আনন্দ দিতো। ১৯৩৩ সালে তিনি অনেকবার সার্কাস দেখেছেন বলে জানা যায়। সার্কাসের নারী কসরতকারীদের তিনি দামী চকোলেট ও ফুল দিতেন।
৮. তিনি প্রায় রাতেই তার ব্যক্তিগত থিয়েটারে সিনেমা দেখতেন, বিশেষ করে যেগুলো জার্মান জনগণের কাছে নিষিদ্ধ ছিল। তিনি কমেডি সিনেমা বেশী পছন্দ করতেন। মাঝে মাঝে তিনি জিউস গায়িকাদের গান পছন্দ করতেন।
৯. ছোটবেলায় হিটলার ধর্মযাজক ও চিত্রশিল্পী হতে চেয়েছিলেন।
১০. হিটলার ছিলেন নিরামিষভোজী, অন্যদিকে হিটলার দিনে দুই পাউন্ড পর্যন্ত চকোলেট খেতে পারতেন।




