197818

রাজ রাজ্জাকদের যদি ফেসবুকে পাওয়া যেত?

বিনোদন ডেস্ক  ।।

সকালে ঘুম ভেঙ্গে চোখ খুলেই ফেসবুকে ঢুঁ মারার অভ্যেস। আজও তেমনটাই হলো। কিন্তু! এ কী! চক্ষু চড়কগাছ। ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন নায়ক রাজ রাজ্জাক। বারবার চোখ কচলে দেখেও বিশ্বাস হচ্ছে না। নিশ্চয়ই ফেক আইডি।

মজার ছলে এ কথা সাব্বির তাঁর মায়ের কাছে বললেন। মা এখনও প্রয়াত রাজ্জাকের প্রেমে হাবুডুবু খান। এ যুগের অপূর্ব, নিশো কিংবা মোশাররফ করিমের পাশাপাশি রাজ্জাকের সিনেমা হলেও টিভির সামনে থেকে নড়েন না। সেই স্বপ্নপূরণ ফেসবুকে! ছেলের মোবাইল স্ক্রিন দেখে তিনিও বিহ্বল-বিভ্রান্ত। যাই হোক, এ সুযোগ কী ছাড়া যায়! ছেলের বদলে মা নিজের প্রোফাইল থেকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে দিলেন রাজ্জাককে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে অ্যাক্সেপ্টও হল। এবং কিছুক্ষণের মধ্যে ফের চমক। সাজেস্টেড ফ্রেন্ড অপশানে ভেসে উঠল সুচরিতার ছবি! বিস্ময়ের ঘোর ঝেড়ে সুচরিতাকেও ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠালেন। যদিও সঙ্গে সঙ্গে অনুরোধ গৃহীত হয়নি।

কিন্তু এঁরা কারা? প্রশ্নের উত্তর পেতে মেসেঞ্জারে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিলেন প্রিয় নায়কের উদ্দেশে। যদি উত্তর আসে সেই আশায়। প্রশ্ন করেন, আপনার প্রোফাইলটা কার? ভাল আছেন? উত্তর আসেনি। অথচ দিনের নির্দিষ্ট সময়েই অনলাইন হয় সেই প্রোফাইল।

মেসেজ গেলে কখনও কখনও সিনও হয়। অথচ রিপলাই পাননা। প্রোফাইল ডিপিতে রাজ্জাকের সহাস্য ছবি। দিনে অন্তত তিন চারবার করে রাজ্জাকের নানা মুহূর্তের ছবি আপডেট করা হয়। হয়তো কারও কারও আবেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এখানে। জীবতদের ফেইক অ্যকাউন্ট নানা কারনে সহজে বোঝা যায়। যেখানে তারকাদের নিয়মিত ছবি দেওয়া হচ্ছে , বিভিন্ন ভিডিও। তাঁর কোনও সিনেমার সংলাপের একাংশ। অনেকে এসব আইডির ফ্রেন্ড না হতে পেরে ফলোয়ার হয়ে থাকেন।

অনেকেরই ইচ্ছে করে, তাঁর বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি দেখতে। কিন্তু সব সময় তো আর টিভিতে তাঁর ছবি বা কোনও সিনেমার জনপ্রিয় ক্লিপিংস দেখা যায় না। তাই এই প্রোফাইল। একইসঙ্গে রয়েছে পেজও। সেই পেজেও প্রচুর সদস্য।

কিন্তু কথা হলো, ‘এই সব পেজ বা আইডির কোন ঠিক ঠিকানা নেই। এই আছে এই নেই হয়ে যায়। পারিবারিকভাবে যদি খ্যাতনামা ব্যক্তিদের পেইজ চালানোর ব্যবস্থা করা হত। তাহলে আর যাই হোক, সিঠিক তথ্যগুলো পাওয়ার সম্ভব হত। কতই না ভালো হত। বাংলা ইনসাইডার

ad

পাঠকের মতামত