193440

আপনার ফ্লাইট মিস হয়ে গেলে কি করবেন ?? জানুন বিস্তারিত…

বর্তমান সময়ে আকাশযান ট্রানজিটের অন্যতম স্থান কাতারের হামাদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (ব্যস্ততম এয়ারপোর্টগুলোর একটি)। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ফ্লাইট কাতারকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করায় প্রতিনিয়তই ফ্লাইট মিস হওয়ার দৃশ্য দেখতে পাই। বেশিরভাগ যাত্রী ডিউটি ফ্রি শপ থেকে শপিং করতে গিয়ে ফ্লাইট মিস করে।

লজ্জাজনক হলেও সত্য এই যে- অজ্ঞতার কারণে বাংলাদেশী যাত্রীদের পাল্লাটা এক্ষেত্রে ভারী।যদিও বোর্ডিং পাসে উল্লেখ করা থাকে- নির্দিষ্ট সময়ের ২৫ মিনিট পূর্বে যাত্রীকে বোর্ডিংয়ের যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করতে হবে- এর মধ্যে গেট বন্ধ হয়ে যায়।অনেক যাত্রী নির্দিষ্ট সময়ের পরে এসে কাস্টমার রিলেশন অফিসারদের সাথে ঝামেলা বাঁধায়। হামাদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট অনেক বড় হওয়ায় তার অনেকগুলো গেট।

তাই অনেকে যথাসময়ে সুনির্দিষ্ট গেট খুঁজে পান না, গেট খুঁজে সময় নষ্ট করে। অপ্রিয় হলেও সত্য এই যে, অনেক যাত্রী কাউকে কিছু জিজ্ঞেসও করে না।যারা ভাষাগত দিক দিয়ে অদক্ষ, তাদের সমস্যা একটু বেশিই হয়।কাতার এয়ারপোর্টে A,B,C,D,E ক্রমিকের মাধ্যমে গেটগুলোকে বিভক্ত করা হয়েছে।

যাত্রী সেবার জন্য প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে রয়েছে কাস্টমার সার্ভিস ডেস্ক, ফ্লাইট সিডিউলের জন্য রয়েছে এলইডি (LED) স্ক্রিন, যাত্রীদের জন্য রয়েছে ট্রেন এবং ফ্রি ওয়াইফাই (WiFi), বোডিং পাসে E-ticket নম্বর দেওয়া থাকে- সে নম্বর এবং যাত্রীর বোর্ডিংপাসে লেখা শেষ নামকে পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করে ফ্রি ওয়াইফাই (WiFi) কানেক্ট করা যায়- এটা অনেকেরই অজানা।

অন্যান্য দেশের যাত্রীদের ফ্লাইট মিস হলে খুব একটা খারাপ লাগে না। শুধু বাংলাদেশী যাত্রীদের কেউ ফ্লাইট মিস করলে খুব কষ্ট লাগে, মায়া হয়।শুধুমাত্র সচেতনতাই পারে ফ্লাইট মিস রোধ করতে।আকাশযানের সকল যাত্রীদের জ্ঞাতার্থে বলছি (যারা নিয়মিত ট্রানজিটে ট্র্যাভেল করেন)-

ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, সকলের জন্য শুভকামনা রইলো, ধন্যবাদ।

ad

পাঠকের মতামত