‘দাদা এভাবে কি কেউ চলে যায়’
বড় ভাই লিটন দেবের মরদেহের ওপর থেকে আত্মীয়স্বজন, হাসপাতালের লোকজন কেউ তাঁকে টেনে তুলতে পারছিলেন না। এ সময় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী তাঁকে টেনে তুলে বুকে জড়িয়ে ধরেন।
একটু শান্ত হলে ঝোটন দেব বিলাপ করতে থাকেন, ‘কেন দাদা তুমি মেজবান খেতে গেলে? এভাবে কি কেউ চলে যায়?’
রীমা কনভেনশন সেন্টারে গতকাল সোমবার দুপুরে পদদলিত হয়ে নিহত হন লিটন দেব (৪৩)। তিনি নগরীর হাজারীগলির বাসিন্দা। সেখানেই তাঁর ওষুধের দোকান। তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার বড়। লিটনের এক ছেলে, এক মেয়ে। নিহত লিটন দেবের বোনজামাই দীপংকর দেব বলেন, ‘সকালে মেজবানে আসার কথা বললে আমি ওকে বলেছি ওখানে অনেক লোক হবে, আমি যাব না, তুমিও যেও না। সে একাই মেজবানে গিয়েছিল। আমরা পরে জানতে পেরেছি। ‘
এদিকে নিহত কৃষ্ণপদ দাশের ছেলে শুভ দাশ বলেন, ‘আমরা চার-পাঁচজন আসার কথা ছিল মেজবানে।
কিন্তু সকালে কেউ আসতে রাজি না হলে বাবা একাই মেজবানে যান। ‘
আগ্রাবাদের গোসাইলডাঙ্গার বাসিন্দা ঠিকাদার প্রদীপ তালুকদার (৪৬)। তাঁর দুই মেয়ের একজন এসএসসি ও অন্যজন জেএসসি পরীক্ষার্থী। প্রদীপ তালুকদারের বোনজামাই লিটন ভৌমিক বলেন, গতকাল (রবিবার) ব্যবসার কাজ শেষে তিনি বান্দরবান থেকে ফেরেন। সকালে মেজবানের খবর শুনে সেখানে গিয়েছিলেন।




