178837

ক্যানসার রোগীকে গান শুনিয়ে কাঁদলেন নার্স

চলছে কান্না, চলছে গান, অন্যরূপে নার্স ও রোগীরোগীর প্রতি চিকিৎসক এবং সেবিকা বা নার্সের কিছু দায়িত্ব থাকেই। যা তারা পালন করেন। এর বাইরেও কিছু থাকে। যাকে সংজ্ঞায়িত করা যায় না। একে বলা যায় মানবিকতা। যা কর্তব্য বলে বিবেচিত।
চিকিৎসক এবং নার্সরা দায়িত্বের বাইরে কর্তব্য করতে গিয়েই কিছুক্ষেত্রে মায়ায় জরিয়ে যান। এ থেকে তারা এমন কিছু করেন যা মহানতাকেও ছাড়িয়ে যায়। তখন হয়তো রোগীর অবস্থান এবং নিজের অবস্থান তারা অদল বদল করে ফেলেন।

এমনই ঘটনা ঘটেছে মৃত্যুপথযাত্রী এক ক্যানসার রোগীর বেলায়। সেবিকা হিসেবে চিকিৎসা শাস্ত্রে যে জ্ঞান তাতে তিনি ভালো করে বুঝেছেন রোগীর সময় শেষ। আর এ থেকেই সেবিকা পেশার খোলসের বাইরে গিয়ে অন্য ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

গান, হাসপাতাল, রোগী ও সেবিকা একসঙ্গে যায় না। কিন্তু এসব ছকে বাঁধা কথা বেমানান নিচের ঘটনায়।

এখানে একজন নার্স মৃত্যুপথযাত্রী এক রোগীকে তার পছন্দের গান গেয়ে শুনান। নিজেই পরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

ঘটনার ক্যানসার রোগী মারগারেট ‍স্মিথ, নার্স ওলিভিয়া নিউফেল্ডার।

ক্যানসার রোগী মারগারেট ‍স্মিথ তাকে সঙ্গ দেয়া নার্স ওলিভিয়া নিউফেল্ডারকে পরী বলে ডাকতেন।

সেই ক্যানসার রোগী মারগারেট ‍স্মিথমারগারেটের মেয়ে মেগান ‍স্মিথ বলেন, ক্যানসার রোগে আক্রান্ত মাকে বাসায় নিয়ে আসার আগ পর্যন্ত ওলিভিয়া প্রায়ই তার প্রিয় গান শোনাতেন।
মেগান ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেন, এই মহান নার্স আমার মায়ের পাশে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতেন, তাকে ভালো করে তুলতে গান শোনাতেন।

তিনি আরো লিখেন, শুধু লিখে বা বলে ওই নার্সের প্রতি আমাদের ভালোবাসা বুঝাতে পারব না, যাকে আমার মা পরী বলে ডাকতেন।

নার্স নিয়ে ফেসবুক পোস্টটি প্রায় ৬৫ হাজার বার শেয়ার হয়েছে এবং ৩০ লাখ মানুষ কাছে পোস্টটি পড়েছেন।

মারগারেট স্মিথের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ২৫ অক্টোবর বুধবার তাকে বাড়িতে নেয়া হয়। সেখানেই মারগারেট মারা যান।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, মারগারেটকে সেরে তুলতে শেষ ঘণ্টা পর্যন্ত সেবিকা ওলিভিয়া গান গেয়ে, সেবা করে চেষ্টা করেছেন।

ad

পাঠকের মতামত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *