378128

সাত বছরের অপেক্ষা ফুরোচ্ছে বাবরের

ফর্ম ফিরে পাওয়ার লক্ষ্যে সাত বছর পর ঘরোয়া প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ফিরছেন বাবর আজম। চলমান প্রেসিডেন্টস ট্রফি গ্রেড ওয়ানে অয়েল অ্যান্ড গ্যাস ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ওজিডিসিএল) হয়ে খেলবেন পাকিস্তানের টেস্ট অধিনায়ক। অতিথি খেলোয়াড় হিসেবে বাবরকে দলে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

সবশেষ ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে ঘরোয়া প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেছেন বাবর। সেবার সেন্ট্রাল পাঞ্জাবকে নেতৃত্ব দিয়ে কায়েদে আজম ট্রফির শিরোপা জিতেছিলেন তিনি। এরপর আর ঘরোয়া লাল বলের ক্রিকেটে দেখা যায়নি তাঁকে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড সম্প্রতি প্রতিষ্ঠিত ক্রিকেটারদের ঘরোয়া প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে খেলার ওপর জোর দেওয়ায় এবার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটছে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শেষে আগামীকাল দেশে ফেরার কথা রয়েছে বাবরের। পরদিন ওজিডিসিএল দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি। তবে ঠিক কোন ম্যাচ থেকে মাঠে নামবেন, সেটি এখনো ঠিক করেননি এই ব্যাটার।

ওজিডিসিএলের ক্রীড়া বিভাগের প্রধান ফারাহ বলেন, ‘বাবর ১৬ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্য থেকে পাকিস্তানে ফিরবে এবং পরদিন ওজিডিসিএল দলে যোগ দেবে। তার কিটের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। বাবর দেশে ফেরার পর সিদ্ধান্ত নেবে, সে দ্বিতীয় ম্যাচ থেকে খেলবে নাকি তৃতীয় ম্যাচ থেকে।’

দীর্ঘদিন ঘরোয়া লাল বলের ক্রিকেট থেকে দূরে থাকার কারণে সমালোচনাও শুনতে হয়েছে বাবরকে। এর মধ্যে টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর ফর্মও নেমেছে প্রশ্নের মুখে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরের পর এই সংস্করণে আর সেঞ্চুরি করতে পারেননি তিনি। করাচিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ড্র হওয়া সেই টেস্টে ১৬১ রান করেছিলেন বাবর।

২০২৩ সালের শুরু থেকে টেস্টে বাবরের ব্যাটিং গড় ৩০.৪৩। তাঁর ক্যারিয়ার গড়ের তুলনায় এই গড় ১২.৫৫ রান কম। তাই ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরে নিজেকে ছন্দে ফেরানোর পাশাপাশি টেস্টে ব্যাটিংয়ের উন্নতিও করতে চাইবেন তিনি।

প্রেসিডেন্টস ট্রফিতে এবার বাবরের মতো পাকিস্তানের আরও কয়েকজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার খেলছেন। ওয়ানডে অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি কেআরএলের হয়ে মাঠে নামছেন। টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সালমান আলী আগা খেলছেন কিংসমেন একাডেমির হয়ে।

পাকিস্তান বর্তমানে আইসিসি টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে নবম স্থানে রয়েছে। নয় দলের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলেও সবার নিচে আছে তারা। আগের চক্রেও পাকিস্তান একই অবস্থানে থেকে শেষ করেছিল।

সাম্প্রতিক আইসিসি টুর্নামেন্টগুলোতেও পাকিস্তান নকআউট পর্বে উঠতে পারেনি। সবশেষ চারটি আইসিসি টুর্নামেন্টে ব্যর্থ তারা। ২০২৫ সালে ঘরের মাঠে হওয়া চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেও মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে বিদায় নেয় পাকিস্তান। গ্রুপ পর্বে নিউজিল্যান্ড ও ভারতের কাছে প্রথম দুই ম্যাচে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যায় তারা।

 

ad

পাঠকের মতামত