করোনাকালীন মাসিক আয় কমেছে ৭৭ শতাংশ পরিবারে, সঞ্চয় কমেছে ৬২ ও ঋণ বেড়েছে ৩১ শতাংশ
ডেস্ক রিপোর্ট।। বিয়েতে কনেদের বয়স ১৮ বছর ছিলো ৭৭ শতাংশের এবং ১৬ বছরের নিচে ছিলো ৬১ শতাংশের।
ব্র্যাক, ইউএন উইমেন বাংলাদেশ এবং নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির যৌথভাবে পরিচালিত এক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।
বুধবার রাতে ভার্চুয়াল সংলাপে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। সংখ্যাবাচক ও পরিমাণবাচক উভয় পদ্ধতিতে পরিচালিত গবেষণাটির সময়কাল গত বছরের ১০-২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং এতে ছয় হাজার ৩৭০টি খানা অংশগ্রহণ করে।
ফলাফল অনুযায়ী, পরিবারগুলোতে মাসিক গড় আয় কমেছে ৩৪ শতাংশ, সঞ্চয় কমেছে ৬২ ভাগ এবং পরিবারে ৬১ শতাংশ কেউ না কেউ চাকরি অথবা আয়ের সক্ষমতা হারিয়েছেন।
ফিরে আসা অভিবাসীদের প্রায় ৭৭ শতাংশ মনে করেন চাকুরি খুঁজে পাওয়া তাদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। ২৫ শতাংশ অভিবাসী ঋণ পরিশোধ নিয়ে উদ্বিগ্ন যার পরিমাণ ৭৬ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ সাত লাখ টাকা পর্যন্ত।
অভিবাসীদের ৪৪ ভাগ জানিয়েছেন, তারা কোনও উপার্জনমূলক কাজ পাননি। মহামারী চলাকালীন সময়ে গড়ে মাসিক রেমিট্যান্স বা বিদেশ থেকে পাঠানো অর্থ ৫৮ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
ফেরত আসা প্রায় ১৩.৩৫ শতাংশের বয়স চল্লিশোর্ধ এবং ৪.৫৬শতাংশের বয়স পঞ্চাশের ওপরে যাদের ফেরত যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
ফেরত আসা নারীদের অভিবাসীদের ৭৪ শতাংশ আয়মূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে পারেননি এবং ঘরের কাজ ও শিশু লালনপালনে চাপ অনুভব করেছেন ১৮ ভাগ।
নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির সেন্টার অন ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এর প্রোগ্রাম লিড লিয়া জেমোর ভার্চুয়াল সংলাপটি সঞ্চালনা করেন। গবেষণা ফলাফল উপস্থাপন করেন ব্র্যাক এর পরিচালক কেএএম মোর্শেদ। আলোচনায় অংশ নেন ইউএন উইমেন বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি শোকো ইশিকাওয়া প্রমূখ।




