327358

দোকানের গোপন কক্ষে শিশুকে ধ’র্ষণ চেষ্টা, দোকানি গ্রে’প্তার

নিউজ ডেস্ক।। করোনাভাইরাসের মতো মহামারিতে মানুষ যখন শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাচলে ব্যাপক সচেতন; এমন সময় শিশু ধ’র্ষণ চেষ্টার অ’পরাধে এক ব্যক্তিকে গ্রে’প্তার করেছে কিশোরগঞ্জের নিকলী থানা পুলিশ।

গতকাল বুধবার সকালে নিকলী উপজেলার সিংপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এদিন তৃতীয় শ্রেণির (১০) এক ছাত্রীকে ধ’র্ষণের চেষ্টা করেন আবদুল হক নামে এক ব্যক্তি।

এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শিশুর মা। মা’মলা’র এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, গতকাল সিংপুর বাজারে আবদুল হক ওরফে হক সাহেবের দোকানে চকলেট কিনতে গেলে তিনি মেয়েটিকে বিনা পয়সায় চকলেট দেওয়ার প্র’লোভন দেখান। পরে তার দোকানের ভেতর ছোট একটি গোপন ঘরে তাকে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। ভেতরে ওই ব্যক্তি মেয়েটিকে ধ’র্ষণে’র চেষ্টা করে। এ সময় সে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে। সুযোগ বুঝে আবদুল হক পালিয়ে যান।

পরে স্থানীয়দের সহায়তায় গ্রামপুলিশ তিন সন্তানের জনক আবদুল হককে ধরে নিয়ে এসে তারই দোকানে আটকে রাখে। স্থানীয়রা তার বিচারের জন্য সিংপুর বাজারে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ আলীকে নিয়ে আসে। কিন্তু ভুক্তভোগীর পরিবার এ ঘটনার সমঝোতা করতে রাজি হয়নি। এ ছাড়া আবদুল হকের বিরুেদ্ধে ২০১৪ ও ২০১৮ সালে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। তবে অভিযোগগুলো থানা পুলিশের আড়ালে স্থানীয় প্রভাবশালীদের মাধ্যমে দেন-দরবার করে মীমাংসা হয়েছিল বলে জানায় স্থানীয়রা।

এদিকে সিংপুর বাজারে শিশু ধ’র্ষণ চেষ্টার বিষয়টি স্থানীয়দের মাধ্যমে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেলে উপজেলা জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। পরে বিষয়টি নিকলী থানা পুলিশের নজরে আসে। পুলিশ ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আবদুল হকের বি’রুদ্ধে মা’মলা দায়ের করেন কিশোরীর মা। এর ভিত্তিতে আবদুল হককে গ্রে’প্তার করে পুলিশ।

নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম সিদ্দিকী ঘটনার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শিশু ও নারী নি’র্যাতন দমন আ’ইনে আবদুল হককে গ্রে’প্তার করে আ’দালতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার জন্য জেলা সদরে পাঠানো হয়েছে।

ad

পাঠকের মতামত