রেডজোন চিহ্নিত করে ঢাকার যে দুই এলাকা লকডাউন করা হলো
নিউজ ডেস্ক।। রোগ তত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মোস্তাক হোসাইন বলেন, এটি লকডাউনের প্রথম পর্যায়ের কাজ। আরও এলাকা রেড জোন ঘোষণা করে লকডাউন করা হবে। তবে এ বিষয়ে কোন ঘোষণা দেওয়া হবে না। কাজ শুরু হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রশাসন, ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও মেয়র অবগত থাকবেন।
ডা. মোস্তাক বলেন, রাজধানীর বাইরে নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদীতেও লকডাউনের কার্যক্রম চলছে। এসব জেলার যেসব এলাকায় সং’ক্রমন বেশি সেসব এলাক পর্যায়ক্রমে লকডাউন করা হবে।
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মো. হাবিবুর রহমান খান বলেন, রোববার সকাল থেকে যে এলাকাকে রেড জোন ঘোষণা করা হবে, সেই এলাকা সম্পূর্ণ ব্লক রাখা হবে। সেই এলাকায় কেউ ঢুকবেও না, কেউ বেরও হবে না। ওই এলাকার নিত্যপ্রয়োজনীয় যেসব জিনিসের দরকার হবে তা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে।
মো. হাবিবুর রহমান বলেন, সারা দেশে জোনিংয়ের তালিকা করতে সময় লাগবে এক সপ্তাহ। এই কাজ শেষ হলে লকডাউন শুরু করা হবে। করোনাভাইরাস সং’ক্রম’ণের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন এলাকা রেড ইয়েলো ও গ্রীন জোনে ভাগ করা হবে।
অতিরিক্ত সচিব বলেন, আমরা অ্যাপও তৈরি করেছি। এটা লকডাউনে ব্যবহার করা হবে। তবে এখনো জানা যায়নি কোন কোন এলাকা লকডাউন হচ্ছে।
হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা কোন কোন এলাকা লকডউন করবো তা অ্যাপে দেয়া থাকবে। লকডাউনের তালিকা ও নীতিমালা তৈরি করতে কাজ করছে আইসিটি মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষজ্ঞ প্যানেল। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষজ্ঞ দল পুরো প্রক্রিয়াটি দেখছেন।




