মাতৃদুগ্ধের ‘ল্যাক্টোফেরিন প্রোটিন’ দিয়ে করোনার ওষুধ তৈরির চেষ্টা করছেন রুশ বিজ্ঞানীরা
ডেস্ক রিপোর্ট।। রুশ বিজ্ঞানীদের দাবি ছাগলের দুধেও এধরনের প্রোটিন আছে তা করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সহায়ক। তাদের ধারণা এধরনের দুধে যে প্রোটিন মানবশরীরে ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। বিজ্ঞানীরা এর ওপর ভিত্তি করে করোনা প্র’তি’ষেধক বা ওষুধ বানানোর চেষ্টা করছেন। স্পুটনিক
রাশিয়ান একাডেমি অব সাইন্সের ইনস্টিটিউট অব জেনি বায়োলজির সিনিয়র গবেষক ইগর গোল্ডম্যান বলেন খুব কম শিশুদের করোনায় আক্রান্ত হতে দেখে বিষয়টি নিয়ে আমরা চিন্তা শুরু করি। মায়ের বুকের দুধে যে ল্যাক্টোফেরিন নামে প্রোটিন আছে তা শিশুদের যেকোনো ব্যাক্টেরিয়া ও ভাইরাস প্র’তিরোধ করে এক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে সে সম্পর্কে এখন আমারা নিশ্চিত। নিউজ ডট রু
রুশ গবেষক দল বলছে শুধু শিশুদের নয় বড়দের ক্ষেত্রে এ ধরনের রোগ প্র’তিরোধে ল্যাক্টোফেরিন প্রোটিন সহায়তা করে। ২০০৭ সালে বেলারুশের একদল বিজ্ঞানী ছাগলের দুধ থেকে এধরনের জেনি-মোডিফাইড প্রোটিন তৈরি করতে সমর্থ হন যার নাম দেয়া হয় নিওল্যাক্টোফেরিন।
এ প্রোটিন ব্যাক্টেরিয়া, ভাইরাস এমনকি ছত্রাক সং’ক্রমণ থেকেও রক্ষা করে। রোটাভাইরাস, হেপাটাইটিস সি ও এইচআইভি প্রতিরোধে নিওল্যাক্টোফেরিন প্রয়োগ করে চমৎকার ফল পাওয়া যায়। বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করছেন নিওল্যাক্টোফেরিন সুপারবাগ বা ব্যাক্টোরিয়া প্র’তিরোধক হিসেবে আধুনিক এ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করতে পারে।
ইগর বলছেন এক দশক ধরে আমাদের এ পরীক্ষার ফল করোনাপ্রতিরোধক তৈরিতে সাহায্য করছে। ট্যাবলেট বা মুখে খাওয়ার মাধ্যমে নিওল্যাক্টোফেরিন করোনা রোগিকে প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন তারা। নিওল্যাক্টোফেরিন মানবকোষকে কোনো ব্যাক্টেরিয়া ও ভা’ইরাস সংযুক্তি ও তা পুনরুৎপাদনে বাধা দেয়।
রুশ ইমিউনোলজিস্ট ভ্লাদিমির বলিবক বলছেন বিষয়টি নিয়ে রাশিয়ান ফেডারেল মেডিকেল এন্ড বায়োলজিক্যাল এজেন্সি ও জনস্বাস্থ্য বিভাগ কাজ করছে।






