322704

২৫ বছর ধরে এসএসসি পাস করেই তিনি ‘বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক’!

নিউজ ডেস্ক।। মানিকগঞ্জের এসএসসি পাস করা নাজিমুদ্দিন নামের এক ব্যক্তি চিকিৎসক পদবি লাগিয়ে প্র’তারণা করছেন ২৫ বছর ধরে। তবে তার এই প্র’তারণা ধরা পড়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির সূত্র ধরে।

আজ শনিবার মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা ভাটবাউর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। এই সময় অ’ভিযুক্ত নাজিমুদ্দিনকে ২৫ হাজার টাকা জ’রিমানা করা হয়।

অ’ভিযোগকারী স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তার তিন বছরের ছেলে অসুস্থ হওয়ায় ভাটবাউর ময়না ফার্মেসিতে যান। সেখানের চিকিৎসক ডা. নাজিমুদ্দিন কয়েকটি ওষুধ দেন তাকে। বাড়ি এসে তার স্ত্রী ছেলেকে ওষুধ খাওয়ানোর সময় দেখেন ওই ডাক্তারের ফার্মেসির সব ওষুধই মেয়াদোত্তীর্ণ। পরে তিনি শুক্রবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অ’ভিযোগ করেন।

অ’ভিযোগের সূত্র ধরে জেলা প্রশাসক এসএম ফেরদৌসের নির্দেশে আজ শনিবার সকালে ওই ফার্মেসিতে অ’ভিযান চালানো হয়। অ’ভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অ’ধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।

অ’ভিযানে দেখা যায়, ওষুধের দোকানের অধিকাংশ ওষুধই মেয়াদোত্তীর্ণ। পরে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার অ’পরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আ’ইন ২০০৯ এর ৫১ ধারা অনুযায়ী নাজিমুদ্দিনকে ২৫ হাজার টাকা জ’রিমানা করা হয়। সেই সঙ্গে ভোক্তা অ’ধিকার সং’রক্ষণ আইন ২০০৯ এর ২৭ এর(২) ধারা অনুসারে ময়না ফার্মেসি সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে আসাদুজ্জামান রুমেল বলেন, ‘বিএমডিসির সনদ ছাড়া কেউ নামের আগে ডাক্তার লিখতে পারবেন না এই ধরনের সরকারি আ’ইন থাকলেও তা উপেক্ষা করে এসএসসি পাস করা নাজিমুদ্দিন ডাক্তার বনে যায়। ডাক্তার পদবি ব্যবহার করে সে দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছিল ২৫ বছর ধরে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অভিযানের সময় দেখা যায়, ফার্মেসির প্রায় অধিকাংশ ওষুধের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০১৯ সালের পূর্বেই। ডিসপ্লেতে ২০১৮, ২০১৭, ২০১৬, ২০১২, ২০১০ ও ২০০৭ সালের বিপুল সংখ্যক মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া গেছে।’

ad

পাঠকের মতামত