পীরগঞ্জে পরকীয়ার বলি হারুন ফকির!
রংপুরের পীরগঞ্জে রামনাথপুর ইউনিয়নের বড় মজিদপুর গ্রামে হারুন ফকির (৩৮) নামের এক ব্যক্তি হত্যা না আত্মহত্যা এ নিয়ে নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি মঙ্গলবার বড় মজিদপুর গ্রামে ঘটেছে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গাইবান্ধা সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের হিংগারপাড়া গ্রামের ইমাত আলী পুত্র কাঁচামাল ব্যবসায়ী হারুন ফকির (৩৮) এর সাথে পাশ্ববর্তী পীরগঞ্জ উপজেলার বড় মজিদপুর গ্রামের আবুল হোসেনর কন্যা হাসনা বেগম (৩০) এর সাথে প্রায় ১২ বছর আগে বিয়ে হয়।
বিয়ের পর তিন সন্তানের জননী হাসনা বেগম অন্য এক ছেলে সাথে পরকীয়া করে পালিয়ে যায়। পুনরায় নিজের ভুল বুঝতে পেরে হারুন ফকিরের সংসার করতে থাকে হাসনা বেগম।
এদিকে ২৭ সেপ্টেম্বর সকলের অজান্তে হারুন ফকির এর বাড়ি থেকে হাসনা বেগম চাচাতো ভাই নাহিদ এর সাথে রাতের আঁধারে পালিয়ে যায়। খোঁজাখুঁজি এক পর্যায়ে হাসনা বেগমের স্বামী জানতে পারে, তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে অবস্থান করছে। ফোনে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সাথে কথা হয় হারুন ফকিরের।
হারুন ফকির গত সোমবার রাতে শ্বশুর বাড়িতে আসে। পরের দিন মঙ্গলবার হারুন ফকিরের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রংপুর মর্গে প্রেরণ করেছে।
এ ব্যাপারে পীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ তদন্ত মাসুমুর রহমান মাসুম জানান, হারুন ফকিরের মরদেহে অনেক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে তাকে হত্যা করে ঝুলে রাখা হয়েছে। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রী হাসনা বেগম ও তার পিতাকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
উল্লেখ্য, হাসনা বেগমকে পরকীয়া প্রেমের কারণেই হত্যা করা হয়েছে বলে এলাকাবাসীর ধারণা। এ ঘটনায় নিহতের পিতা ইমাত আলী বাদী হয়ে থানায় মালা দায়ের করেছেন।




