গোপনে পাচার করা হচ্ছিলো কিছু রহস্যময় বস্তু যা এয়ারপোর্টে ধরাপড়ে (ভিডিও)
ডেস্ক রিপোর্ট।। বিমান যাত্রার সবচেয়ে নিরাপদ এবং সুবিধাজনক যাত্রা, কম সময় কোথাও যাওয়ার জন্য। এই যাত্রাকে সহজ এবং নিরাপদ করার জন্য এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি যে কতটা পরিশ্রম করে তা এক কথায় অতুলনিয়। আর এর মধ্যেই তারা অনেক অদ্ভুত এবং আশ্চর্য জিনিস হঠাৎই আবিষ্কার করে ফেলে যা আমরা কল্পনাও করতে পারব না। আজ আমরা এরকমই কিছু অদ্ভুত ও আশ্চর্যজনক জিনিসের কথা জানব যেগুলি মানুষ বিমানে করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। ভিডিওটি শুরু করার আগে আপনাদের অনুরোধ করবো এইরকমই রহস্যময় ভিডিও দেখার জন্য আমাদের চ্যানেলটিকে অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করে পাশের বেল আইকনটিতে ক্লিক করে রাখুন। তো চলুন শুরু করা যাক।
১৩ ই জানুয়ারি ২০১৫, হংকংয়ে বসবাসকারী এক পাচারকারীকে ৯৪ টি আইফোন সহ হং কং এয়ারপোর্টে গ্রেফতার করা হয়। সে এই আইফোন গুলি নিজের শরীরের মধ্যে লুকিয়ে বিদেশে পাচার করার চেষ্টা করছিল কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় সে ধরা পড়ে যায়। এই সমস্ত আইফোন গুলির মোট দাম ৩২ লক্ষ টাকার থেকেও বেশি ছিল।
২০১০ সালে থাইল্যান্ডের এয়ারপোর্টে এক মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়। সেই মহিলাটি তার ব্যাগে করে দু মাসের একটি বাঘের বাচ্চা কে লুকিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। পরবর্তীতে পুলিসের জেরায় সে জানান এই বাঘের বাচ্চাটিকে সে ইরানের ব্ল্যাক মার্কেটে চড়া দামে বিক্রি করার জন্য নিয়ে যাচ্ছিল। বাঘের বাচ্চাটি তখন জীবিত ছিল পরবর্তীতে তাকে পশুদের হসপিটালে পাঠানো হয়।
২০০৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার একটি এয়ারপোর্টে কিছু মহিলাকে সন্দেহভাজন হিসাবে আটকানো হয় কিন্তু যখন তাদের সার্চ করা হয় তখন তাদের ব্যাগের মধ্যে মানুষের মাথার খুলি পাওয়া যায় আর যা দেখে এয়ারপোর্ট কর্মীরা সবাই আশ্চর্য হয়ে যায়। এরপর সেই মহিলাদের বিমানে অবৈধ মাল পরিবহনের আরোপের গ্রেফতার করা হয় এবং জেলে পাঠানো হয়।

ইজিপ্টের এক বিমানবন্দরে এক ইজিপসিয়ান কাপেল কে গ্রেফতার করা হয় যখন তারা তাদের পাঁচ মাসের শিশুটিকে ব্যাগে মধ্যে লুকিয়ে বিমানে ওঠার চেষ্টা করছিল। গ্রেফতার হওয়ার পর তারা জানায় যে শিশুটির পাসপোর্ট না থাকার জন্য তাকে লুকিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল তারা আর তাদের এই কথার সত্যতা যাচাই করার পর এয়ারপোর্ট সিকিউরিটিরা তাদের কোনো সাজা না দিয়েই ছেড়ে দেয়।
২০১০ সালে লিভারপুলের এয়ারপোর্টে গ্রেফতার করা হয় দুই মহিলাকে যারা তাদের ব্যাগে করে নিয়ে যাচ্ছিল একটি মৃতদেহ। তারা দুইজন তাদের পরিচিত একজনের মৃতদেহ ব্যাগে করে নিয়ে যাবার চেষ্টা করছিলো কিন্তু এয়ারপোর্টের সিকিউরিটি চেকিং-এ তারা ধরা পড়ে যায় পরবর্তীতে তাদের জেলে পাঠানো হয়।







