নিজ দলের নেতার কাছে মার খেলেন আ.লীগ নেতা
নিউজ ডেস্ক।। বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার আলোচিত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিনের হাতে এবার নিজ দলের এক নেতা শারীরিকভাবে লাঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সবুর আকনকে (৫৫) মারধর করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
মারধরের শিকার আবদুস সবুর আকন লিখিত অভিযোগে বলেন, ‘আমার বাড়ির সামনের একটি রাস্তায় ৪০ দিনের কর্মসূচির মাধ্যমে কাজ চলছে। বেলা ১১টার দিকে রাস্তার কাজ দেখতে গেলে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাছিরের সঙ্গে রাস্তার জমি নিয়ে আমার কথা কাটাকাটি হয়। সেখানে উপস্থিত চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আমার জামার কলার ধরেন। সে সময় তার সাথে থাকা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য নাসির, রাজ্জাক আকন, নজিব আহমেদসহ চেয়ারম্যানের পাঁচ থেকে ছয়জন ক্যাডার আমাকে মারধর করে। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তারা আমাকে ছেড়ে দেয়।’
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন বলেন, ‘সকালে একটি রাস্তার মেরামতের কাজ চলছিল। সবুর কাজ বন্ধ করে দেওয়ায় ইউপি সদস্য নাছিরের সাথে মারপিটের ঘটনা ঘটেছে।’ গত ৩ জানুয়ারী খোন্তাকাটা মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদরাসার শিক্ষক আলী আহমেদকে মারধর করেন মহিউদ্দিন। এর আগে ২০১৭ সালের ৯ এপ্রিল গ্রাম্য শালিশে বিচারের নামে এক যুবকের গোপনাঙ্গে ইট বেঁধে এলাকার বিভিন্ন রাস্তায় ঘুরিয়ে ব্যাপক আলোচনায় আসেন তিনি। ওই ঘটনার সংবাদ একাধিক গণমাধ্যমে আসে। ওই মামলাটি এখনো চলমান রয়েছে।
এ বিষয়ে বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মোজাম্মেল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে আমাদের সময়কে বলেন, ‘মারামারি করলে এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি হয়। আমি চাই সবাই শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করুক। যাতে দলের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন না হয়।’ উৎস: দৈনিক আমাদের সময়।




