219068

থাইল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনালের পথে টাইগ্রেসরা

আগের দিনই এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফেভারিট ভারতের বিপক্ষে ৭ উইকেটের দারুণ জয় পেয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। সে তুলনায় থাইল্যান্ড একেবারেই ছোট দল। বৃহস্পতিবার এই পুঁচকে দলটিকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালের পথে এগিয়ে গেল অনেকটাই। কুয়ালালামপুরের কিনারারা একাডেমি ওভালে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৬০ রান করে থাইল্যান্ডের মেয়েরা। জবাবে ১১.১ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৬২ রান করে ম্যাচ জিতে নেন সালমা খাতুন-রুমানা আহমেদরা। ৯ জুন তারিখে মালয়েশিয়ার মেয়েদের হারালেই নিশ্চিত হবে টাইগ্রেসদের ফাইনালে খেলা।

বাংলাদেশের এশিয়া কাপ শুরু হয়েছিল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে লজ্জাজনক হারে। এরপর পাকিস্তান ও ভারতের বিপক্ষে দুইটি জয় দলটির আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। আর থাইল্যান্ডের বিপক্ষে জয় তাদের ফাইনালের পথেই রেখেছে।

এদিন টস জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। দলীয় ৩ রানেই প্রথম উইকেট হারায় থাইল্যান্ড। এরপর দলটির উইকেট পতনের ধারা অব্যাহত থাকে। ৩১ রানে তারা হারায় ৫ ব্যাটসম্যানকে। তবে শেষ পর্যন্ত দলটিকে অল আউট করতে পারেনি বাংলাদেশ। এর পেছনে বড় অবদান থাই অধিনায়ক সরনারিন তিপকের ২৯ বলে অপরাজিত ১৩ রানের ইনিংসে।

অধিনায়ক ও স্পিনার সালমা ৪ ওভার বল করে মাত্র ৬ রান খরচায় ২ উইকেট পান। বাঁহাতি স্পিনার নাহিদা আক্তার ১০ রান খরচায় পান ২ উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন জাহানারা আলম, ফাহিমা খাতুন, খাদিজা তুল কোবরা ও রুমানা আহমেদ।

মাত্র ৬১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর অবশ্য কোন বিপদ হতে দেননি আয়েশা রহমান ও নিগার সুলতানা। দুজনে মিলে ১১.১ ওভারে জয় এনে দেন দলকে। দুজনই ২৮ বলে ২৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের একমাত্র উইকেটটি পেয়েছেন থাই পেসার চানিদা সুথিরুয়াং। ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেয়েছেন সালমা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

থাইল্যান্ড : ৬০/৮ (২০ ওভার) (চ্যানটাম ১, চাইওয়াই ৬, বুচাথাম ১৫, কনচারোএনকাই ৪, সুথিরাঙ ৪, টিপক ১৩*, লিয়েংপ্রাসার্ত ১, স্যাংসাকাওরাত ১৪; জাহানারা ১/১০, সালমা ২/৬, নাহিদা ২/১০, ফাহিমা ১/৯, খাদিজা ১/১৪, রুমানা ১/৯)।

বাংলাদেশ : ৬২/১ (১১.১ ওভার) (শারমিন ৮, আয়েশা ২৫*, নিগার ২৫*; সুথিরুয়াং ১/১৪, পাদুংলের্দ ০/২৫, বুচাথাম ০/৮, টিপক ০/১৩, লাওমি ০/২)।

ফলাফল : বাংলাদেশ ৯ উইকেটে জয়ী।

প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ : সালমা খাতুন।

ad

পাঠকের মতামত