216028

স্ত্রীদের অর্থ-সম্পদ ১৯-২১ গুণ বেশি দুই মেয়র প্রার্থীর চেয়ে

ডেস্ক রিপোর্ট।। খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেকের বার্ষিক আয় ৪১ লাখ ৭৫ হাজার ৫৫৫ টাকা। অন্যদিকে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর বার্ষিক আয় ২ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। তবে নিজের আয়ের তুলনায় আবদুল খালেকের স্ত্রীর অর্থ-সম্পদ ২১ গুণ আর মঞ্জুর স্ত্রীর ১৯ গুণ বেশি অর্থ-সম্পদ রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিলকৃত হলফনামায় দুই প্রার্থী নিজের এবং পরিবারের উল্লিখিত অর্থ-সম্পদের বিবরণ দাখিল করেছেন।

হলফনামায় খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার আবদুল খালেকের বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৪১ লাখ ৭৫ হাজার ৫৫৫ টাকা।

অবশ্য, ২০১৩ সালের হলফনামায় তার আয় দেখানো হয় ৪ কোটি ৬২ লাখ ৫৫ হাজার ৬০০ টাকা। ২০০৮ সালের নির্বাচনের সময় তার বার্ষিক আয় ছিল ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

নতুন হলফনামা অনুযায়ী খালেকের বার্ষিক আয় কৃষিখাত থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, মৎস্য ঘের থেকে ৭ লাখ ৩৯ হাজার ৩০০ টাকা, ব্যাংক সুদ থেকে ৮ লাখ ৫১ হাজার ৫৮০ টাকা, সংসদ সদস্য হিসেবে পারিতোষিক ও প্রাপ্ত ভাতা থেকে বার্ষিক ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ৬৭৫ টাকা।

হলফনামায় আবদুল খালেক নিজের চেয়ে স্ত্রী সাবেক সংসদ সদস্য সাবেকুন্নাহারের নামে নগদ অর্থ ২১ গুণ বেশি রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন।

মৎস্যঘের ব্যবসায়ী সাবেক মেয়র তালুকদার আবদুল খালেকের নগদ অর্থ রয়েছে ৯ লাখ ৭৮ হাজার ৭৫০ টাকা। আর স্ত্রীর নামে নগদ অর্থ দেখানো হয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ৫৬ হাজার ৭৯৪ টাকা।

কোনো মামলায় অভিযুক্ত না হলেও নয়টি মামলা ছিল আবদুল খালেকের বিরুদ্ধে। এরই মধ্যে সবক’টিতেই অব্যাহতি ও খালাস পেয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে, বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী মহানগর বিএনপি সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জুর বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। আর তার ওপর নির্ভরশীলদের বার্ষিক আয় ২ লাখ ৮২ হাজার টাকা।

এর আগে ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছিল ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা আর ব্যয় ছিল ১ লাখ টাকা। ওই নির্বাচনের সময় তার আয়ের উৎস ছিল ব্যবসা।

এবারও হলফনামায় পেশা ব্যবসা দেখানো হলেও বর্তমানে ব্যবসা বন্ধ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এখন তার আয়ের উৎস হিসেবে দেখানো হয়েছে বাড়িভাড়া। এছাড়া নিজের চেয়ে স্ত্রী অ্যাডভোকেট সৈয়দা সাবিহার নামে ১৯ গুণ বেশি বৈদেশিক মুদ্রা (ডলার) রয়েছে।

মঞ্জুর শিক্ষাগত যোগ্যতা আইনে স্নাতক পাস। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে চারটি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এছাড়া খুলনা থানায় তার বিরুদ্ধে দায়ের করা আগের তিনটি মামলার একটিতে অব্যাহতি পেয়েছেন। আর দুটি মামলায় ফাইনাল রিপোর্ট দেয়া হয়েছে বলেও হলফনামায় উল্লেখ করেছেন তিনি। উৎস: পরিবর্তন।

ad

পাঠকের মতামত