210044

উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি উদযাপন জমকালো আয়োজনে

নিউজ ডেস্ক।।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে লেজারের বর্ণিল আলোতে মেতেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুই নাতী-নাতনীও। আলোর সঙ্গে আনন্দিত হয়ে তাদেরকেও মিটিমিটি হাসতে দেখা গেছে স্টেডিয়ামের বড় স্ক্রিনে।

শুধু এই দুই শিশুই নয়, স্টেডিয়ামের আকাশে ছড়িয়ে পড়া আলোকচ্ছটায় মেতে উঠে সব বয়সী দর্শনার্থীরা। সুরের মূর্ছনায় উদ্বেলিত হয়ে পড়েন সে সব দর্শনার্থী। সন্ধ্যা ৭ টা ১৫ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছোট বোন শেখ রেহেনাসহ দুই নাতী-নাতনীও ছিলেন। তিনি ভিআইপি গ্যালারিতে প্রবেশের পরই জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। পরে স্টেডিয়ামের বড় স্ক্রিনে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

সন্ধ্যা ৭ টা ২৫ মিনিটে প্রদর্শিত হয় লেজার শো। আর ৭ টা ৪০ মিনিটে স্টেডিয়ামের আকাশ বর্ণিল আলোকচ্ছটায় ছেয়ে যায়। দর্শনার্থীরা এ সময় আনন্দে মেতে উঠে হর্ষধ্বনি তোলে। পরে আনন্দলোকে-মঙ্গলা আলোকে সঙ্গীত পরিবেশিত হয়।

এর আগে বিকালে অনুষ্ঠানের শুরুতেই ইতিহাস ঐতিহ্য আর গ্রামীণ সংস্কৃতি তুলে ধরা হয় গানে গানে। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধ, জাতির পিতার ৭ মার্চের মহান সেই ভাষণ, ২৫ মার্চের ভয়াল অন্ধকারের কাল রাতের চিত্রও উঠিয়ে আনা হয়।

এ সময় বিভিন্ন নৃত্যদলের মধ্যে রাজেন্দ্রপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলের শিক্ষার্থীরা গানে আর নৃত্যে শাশ্বত বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তোলে। ১০০ জন সংগীতশিল্পীর দোতারায় উঠে আসে গ্রাম বাংলার আবহমানকালের সুর। লাঠিনৃত্যে ফুটে উঠে প্রায় হারাতে বসা গ্রামীণ ঐতিহ্য। দর্শকরা করতালি দিয়ে স্বাগত জানায় লাঠিনৃত্য পরিবেশনকারী শিল্পীদের।

অনুষ্ঠানে অনেক দর্শনার্থীর হাতেই ছিল জাতীয় পতাকা। অনেকের মাথায় শোভা পাচ্ছিল লাল সবুজের ক্যাপ।

ad

পাঠকের মতামত