যে কারণে রয়টার্সের দু’জন সাংবাদিক নাজেহাল হচ্ছেন মিয়ানমারে
মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দু’জন সাংবাদিককে আটক রেখেছে। রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগে অবশ্য গত বছরের শেষের দিকে তারা আটক হওয়ার পর থেকেই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিষয়টি বেশ আলোচিত হয়েছে।
মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ বরাবরই বলে আসছিল, ওই সাংবাদিকরা অতি গোপন বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছিল। যা দেশটির সম্মান ক্ষুণ্ন করবে। সে কারণে তাদের বিচার হওয়া দরকার।
এদিকে অনেকের মধ্যেই জানার আগ্রহ রয়েছে, ঠিক কী কারণে তাদের আটকে রাখা হচ্ছে। রয়টার্স বলছে, ১০ জন রোহিঙ্গাকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একটি তদন্ত রিপোর্টের সূত্র ধরে ওই দু’জনকে আটক করা হয়।
মিয়ানমারের পুলিশ রয়টার্সের ওয়া লোন এবং কিয়াও সোয়ে ও’কে রাখাইন সংশ্লিষ্ট গোপন নথির বিষয়ে তদন্তের অভিযোগে গত ১২ ডিসেম্বর গ্রেফতার করে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে ওই ১০ রোহিঙ্গাকে হত্যার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহত ১০ জন রোহিঙ্গার মধ্যে দু’জনকে বৌদ্ধ গ্রামবাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে এবং অন্য আটজনকে গুলি করে সেনা সদস্যরা হত্যা করেছে।
রোহিঙ্গাদের হত্যার পর মাটি চাপা দেয়া হয় তাদের মরদেহ। রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় সেনা সদস্য এবং আধাসামরিক পুলিশ বাহিনীর সদস্যরাও জড়িত ছিল বলে প্রমাণ পায় রয়টার্স।
ওই হত্যাকাণ্ডের তিনটি ছবি উদ্ধার করে রয়টার্স। তাতে দেখা যায়, একসঙ্গে ১০ জন রোহিঙ্গাকে হাঁটু গেড়ে বসিয়ে রাখা আছে। পরে তাদের গুলি করে হত্যা করে গণকবর দেওয়া হয়।
সূত্র : রয়টার্স




