বিন্দুকে খুঁজছেন সহকর্মীরাও
প্রায় এক বছর ধরে বিন্দু সংসার করছেন না। কোথায় আছেন তারও কোন খোঁজ নেই। তার কয়েকজন ঘনিষ্ট সহকর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করেও তার সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ডিভোর্সের কথা তারাও লোকমুখে শুনেছেন বলে জানান।
আব্দুন নূর সজল : এক সময় আমরা অনেক কাজ করতাম সত্যি। ওর বিয়ে হয়ে গেলে তো কাজ থেকে ও দূরে চলে যায়। আসলে আমরা কাজ নিয়ে এত ব্যস্ত হয়ে পড়ি যোগাযোগটা কমতে থাকে। এখনো অনেক শিল্পীদের সঙ্গেই কাজ করি। শুটিং থেকে বাসায় ফেরার পর তো আর তার সঙ্গে যোগাযোগ হয় না। ওর সঙ্গে ব্যাপারটা ঠিক তাও নয়। মাঝেমধ্যে যোগাযোগ করতাম। ওর স্বামীর সঙ্গে জানতাম সুখেই আছে। ওদের ডিভোর্স হয়ে গেছে শুনলাম সংবাদ মাধ্যমেই। আশা করবো এমন যেন কিছু না হয়। আসলে আমি ঠিক জানি না। আর ওর আগের মোবাইল নাম্বারটাও বন্ধ।
জিয়াউল ফারুক অপূর্ব : ওর সঙ্গে আমার শেষ কথা হয়েছে তাও বছর দেড়েক হবে। ও নিজে থেকে শোবিজ থেকে চলে যায়। আমার কিংভা আমাদের সবারই একটা অভিমান ছিল। যোগাযোগ ছিল না। এর ওর কাছে শুনতাম ভালোই আছে। আমি মাঝেমধ্যে ফ্যামিলি প্রগ্রামে দাওয়াত দিতাম। কিন্তু ও আসতো না বললেই চলে। আসলে ব্যাপারটা নিয়ে কিছু বলার নেই।
বাঁধন : ডিভোর্সের কথাটা সত্যি। আমি শুনেছি বিন্দু বিদেশ আছে। এর চেয়ে বেশি কিছু আসলে জানি না।
জাকিয়া বারী মম: সত্যি বলতে অনেকদিন যোগাযোগ নেই। ও কাজ থেকে দূরে চলে গেল। এমনকি স্যোসাল মাধ্যমেও ছিল না। এটা আজকাল হয়? শোবিজ থেকে দূরে অনেকেই যায়। তাই বলে নিরবিচ্ছিন্ন খুব কমই হয়। আর এমনও তো নয় শোবিজে ওর সঙ্গে ভয়ানক কিছু হয়ে গেছে। ওর স্বামীর কথাতেই আসলে ও এমন হয়েছিল। শুনলাম ওরা একবছর আগে থেকেই আলাদা থাকছে। তাহলে সংসার তো খুব বেশিদিন ভালো ছিলও না। এগুলো নিয়ে আসলে খুব বেশি কিছু বলার নেই। উৎস: বাংলা ইনসাইডার




