মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্ব নেই কেন?
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা অবশেষে বললেন, মঙ্গল আসলেই বাসের অনুপযোগী। এতে উপস্থিত ভূ-পৃষ্ঠের পানি শুকিয়ে এখন শক্ত শিলা খণ্ডে পরিণত হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ সায়েন্স বিভাগের গবেষকরা এক গবেষণায় জানান, অতি সূক্ষ সূক্ষ পরিবর্তনের কারণে গ্রহের অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে। এবং এর কারণেই বাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
মঙ্গলের পানি কোথায় গেল, এই নিয়ে বিজ্ঞানীরা অনেক চিন্তা ভাবনা করেছে। আগের অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, মঙ্গলের পানি গ্রহের ম্যাগনেটিক ফিল্ডের পতনের কারণে ভূপৃষ্ঠে শোষিত হয়েছে। এছাড়া মঙ্গলে ম্যান্টল রকের কারণে লৌহের পরিমাণও বেশি। এছাড়াও আগের গবেষণায় অস্বাভাবিক কিছু কাঠামো খঁজে পাওয়া গিয়েছিলো। আশা করা হয়েছিলো ক্ষুদ্র কোনো প্রাণের অস্তিত্ব থাকতেও পারে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন গবেষণায় উঠে এসেছে যে, মঙ্গলে পানি এখনো আছে। পানি মূলত ভূপৃষ্ঠে আটকে আছে পৃষ্ঠের শক্ত আবরণের কেমিকেল রিঅ্যাকশনের ফলে।
মঙ্গলের মতো অন্য উপগ্রহের সঙ্গে পৃথিবীর সোলার সিস্টেমে কিছু পার্থক্য রয়েছে। যেটা আমাদের জীবনধারণে উপযোগী করেছে।
বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন যে মঙ্গলের পাথরগুলো পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি পানি ধারণ করতে সক্ষম ছিল এবং এই শিলাগুলি গ্রহের অভ্যন্তরেরপানি সরবরাহ করে।
ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অধ্যাপক জিম ম্যাকয়লওয়াইন মঙ্গলগ্রহের সম্ভাব্য জলের উত্সগুলোর খুঁজেছেন। পৃথিবীর মতো পানি মঙ্গলে নেই। আবার এটি সম্পূর্ণ শুষ্কও নয়।
প্রফেসর ম্যাকএলওয়াইন বলেন যে, অন্য গ্রহ গুলোতে পানির অস্তিত্ব এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ হিসেবে rock chemistry বা শিলা রসায়নের ভূমিকা কী, সেটা জানা গুরুত্বপূর্ণ।
মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্ব নেই কেন?
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা অবশেষে বললেন, মঙ্গল আসলেই বাসের অনুপযোগী। এতে উপস্থিত ভূ-পৃষ্ঠের পানি শুকিয়ে এখন শক্ত শিলা খণ্ডে পরিণত হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ সায়েন্স বিভাগের গবেষকরা এক গবেষণায় জানান, অতি সূক্ষ সূক্ষ পরিবর্তনের কারণে গ্রহের অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে। এবং এর কারণেই বাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
মঙ্গলের পানি কোথায় গেল, এই নিয়ে বিজ্ঞানীরা অনেক চিন্তা ভাবনা করেছে। আগের অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, মঙ্গলের পানি গ্রহের ম্যাগনেটিক ফিল্ডের পতনের কারণে ভূপৃষ্ঠে শোষিত হয়েছে। এছাড়া মঙ্গলে ম্যান্টল রকের কারণে লৌহের পরিমাণও বেশি। এছাড়াও আগের গবেষণায় অস্বাভাবিক কিছু কাঠামো খঁজে পাওয়া গিয়েছিলো। আশা করা হয়েছিলো ক্ষুদ্র কোনো প্রাণের অস্তিত্ব থাকতেও পারে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন গবেষণায় উঠে এসেছে যে, মঙ্গলে পানি এখনো আছে। পানি মূলত ভূপৃষ্ঠে আটকে আছে পৃষ্ঠের শক্ত আবরণের কেমিকেল রিঅ্যাকশনের ফলে।
মঙ্গলের মতো অন্য উপগ্রহের সঙ্গে পৃথিবীর সোলার সিস্টেমে কিছু পার্থক্য রয়েছে। যেটা আমাদের জীবনধারণে উপযোগী করেছে।
বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন যে মঙ্গলের পাথরগুলো পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি পানি ধারণ করতে সক্ষম ছিল এবং এই শিলাগুলি গ্রহের অভ্যন্তরেরপানি সরবরাহ করে।
ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অধ্যাপক জিম ম্যাকয়লওয়াইন মঙ্গলগ্রহের সম্ভাব্য জলের উত্সগুলোর খুঁজেছেন। পৃথিবীর মতো পানি মঙ্গলে নেই। আবার এটি সম্পূর্ণ শুষ্কও নয়।
প্রফেসর ম্যাকএলওয়াইন বলেন যে, অন্য গ্রহ গুলোতে পানির অস্তিত্ব এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ হিসেবে rock chemistry বা শিলা রসায়নের ভূমিকা কী, সেটা জানা গুরুত্বপূর্ণ।






