373996

মোছাব্বির হত্যার ‘মোটিভ’ খুঁজতে তিন আসামি ৭ দিনের রিমান্ডে

ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্যসচিব আজিজুর রহমান মোছাব্বির হত্যা মামলায় তিন আসামিকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম রিমান্ডের এই আদেশ দেন। মামলার আরেক আসামি জিন্নাত আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন—মো. বিল্লাল, মো. আব্দুল কাদির ও মো. রিয়াজ। এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক আমিনুল চার আসামিকে আদালতে হাজির করে তিনজনের রিমান্ড এবং জিন্নাহর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন।

শুনানির সময় আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করলেও তাদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। পরে আদালত জিন্নাতকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং বাকিদের ডিবি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, মোছাব্বির হত্যার পরপরই সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঢাকা, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে বিল্লাল ছিলেন হত্যাকাণ্ডের মূল সমন্বয়কারী এবং জিন্নাত ছিলেন সরাসরি শুটার। রিয়াজ ঘটনাস্থল রেকি করেছিলেন এবং কাদির আসামিদের পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন।

ডিবি প্রধান জানান, প্রাথমিকভাবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ব্যবসায়িক বিরোধের ধারণা করা হলেও কারওয়ান বাজার এলাকার চাঁদাবাজি এবং রাজনৈতিক কারণগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এর নেপথ্যে যারা কলকাঠি নেড়েছে, তাদেরও খুঁজে বের করা হবে।’

গত ৭ জানুয়ারি রাত ৮টার দিকে কারওয়ান বাজারের স্টার গলিতে দুর্বৃত্তরা আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় পান্থপথের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ad

পাঠকের মতামত