364602

আন্দোলন নিয়ে মমতার যে মন্তব্যে আপত্তি জানাল বাংলাদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট।। কোটা সংস্কার আন্দোলন ও বিভিন্ন সহিংসতার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই প্রতিক্রিয়ায় এবার আপত্তি জানাল বাংলাদেশ। ইন্ডিয়া টুডে, এনডিটিভি ও আনন্দবাজার অনলাইনসহ বেশ কয়েকটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

ইন্ডিয়া টুডে বলছে, ঢাকায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে সম্প্রতি মন্তব্য করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে দেওয়া পোস্টে মমতা বলেন, ‘বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের রক্ত ঝরছে। ওখানকার পরিস্থিতির জন্য আমার সহমর্মিতা রয়েছে।’

এ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কলকাতার এক জনসভায় গত রোববার মমতা বলেন, ‘আমি বাংলাদেশ নিয়ে কোনো কথা বলতে পারি না। কারণ, ওটা আলাদা দেশ। যা বলার ভারত সরকার বলবে।’

তবে, এরপর বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে কিছু কথা বলেন মমতা। তিনি বলেন, ‘কিন্তু আমি এটুকু বলতে পারি, কেউ যদি আমাদের দরজায় কড়া নাড়ে আমরা তাদের আশ্রয় দেব। এটা জাতিসংঘের কনভেনশনের প্রস্তাবে রয়েছে। যেখানে বলা আছে, বিপদে পড়ে কেউ আশ্রয় চাইলে তাকে আশ্রয় দিতে হবে।’

ভারতীয় আরেক সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, মমতার এই বক্তব্যে বিভ্রান্তির সুযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বার্তা পাঠিয়ে বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

গত মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলতে চাই, আমাদের প্রতিবেশী রাজ্য ভারতের মুখ্যমন্ত্রী, তার সাথে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার, ঘনিষ্ঠ ও উষ্ণ। কিন্তু তার এই বক্তব্যে অনেকটা বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে এবং বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। সেজন্য আমরা তার এই বক্তব্যের ব্যাপারে ভারত সরকারকে ইতিমধ্যে নোট দিয়ে জানিয়েছি।’

সূত্রের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, মমতার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ থেকে আরও বলা হয়, এতে করে সন্ত্রাসীরা ফায়দা নিতে পারে। জাতিসংঘের কনভেনশন এই পরিস্থিতিতে খাটে না।

 

ad

পাঠকের মতামত