363373

এক ম্যাচ হাতে রেখেই বাংলাদেশের সিরিজ জয়

খেলাধূলা ডেস্ক।। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টানা দশ জয়ে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ এক ম্যাচ হাতে রেখে জিতে নিলো বাংলাদেশ দল।

গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেওয়া ১০৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় তামিম ইকবালের দল। এই ম্যাচ দিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টানা ১০ জয় পেলো বাংলাদেশ।

ক্যারিবীয়দের দেয়া ১০৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১৭৬ বল ও ৯ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে তরী ভেড়ায় সফরকারীরা।

এর ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করল বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে টানা ১০ ওয়ানডে অপরাজিত থাকার নজির গড়ল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।

সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা বেশ মন্থর গতিতেই করেন দুই টাইগার ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত ও তামিম ইকবাল। দুইজনের অবিচ্ছেদ্য ৪৮ রানের জুটিতে শুভসূচনা হয় টাইগারদের।

দলীয় ৪৮ রানে শান্তর বিদায়ে থামেনি বাংলাদেশ। সাবলীলভাবে বাকি কাজ সারেন তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। দলকে ৯ উইকেটের বড় জয় এনে দিয়ে মাঠ ছাড়েন দুই জন।

গায়ানায় টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ম্যাচের শুরু থেকেই বিপর্যয় সঙ্গী হয় ক্যারিবীয়দের। শুরুটা হয় দলীয় ২৭ রানে কাইল মায়ার্সের বিদায়ের মধ্য দিয়ে। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের হাত ধরে প্রথম সফলতার মুখ দেখে বাংলাদেশ।

৩৬ বলে ১৭ রান করে সরাসরি বোল্ড হয়ে মেইল মায়ার্সকে মাঠ ছাড়তে হয় সৈকতের প্রথম শিকার বনে।

উইন্ডিজ শিবিরে দ্বিতীয় আঘাত হানেন নাসুম আহমেদ। শামারহ ব্রুকসে ৫ রানে সাজঘরের পথ দেখিয়ে দিয়ে বাঁহাতি এই স্পিনার পতন ঘটান দ্বিতীয় উইকেটের।

এরপর ম্যাচের ১৮ তম ওভারে ব্যাক টু ব্যাক আঘাত হানেন নাসুম আহমেদ। শাই হোপকে ১৮ ও নিকোলাস পুরানকে রানের খাতা খোলার আগেই ফিরিয়ে পতন ঘটান ক্যারিবীয়দের চতুর্থ উইকেটের।

এরপর কিং ও পাওয়েল মিলে টেনে ধরেন উইকেটের লাগাম। দুই জনের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলীয় সংগ্রহ ৫০ পেরোয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

তবে বেশিক্ষণ এই জুটিকে স্থায়ী হতে দেননি শরিফুল ইসলাম। ১৩ রানে পাওয়েলকে মাঠ ছাড়া করে ভাঙেন সেই জুটি।

এরপর নিয়মিত উইকেট পতনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সামনে ১০৮ রানের পুঁজি দাড় করাতে সক্ষম হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

টাইগারদের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন মিরাজ ও নাসুম।

 

ad

পাঠকের মতামত