প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় বাধা, লাশ হলো ছেলে
নিউজ ডেস্ক।। নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকায় রিপন মিয়া নামে এক ব্যক্তির পরকীয়ায় বাধা দেন স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য লাউসার গ্রামের রফিকুল ইসলাম মনা। আর এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মনার শিশু ছেলে আরাফাতকে হত্যা করেন রিপন মিয়া।
আজ রোববার (২৭ ডিসেম্বর) ডিবি পুলিশের চার দিনের রিমান্ড শেষে দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহামুদুল মহসিনের আদালতে রিপন এ জবানবন্দি দেন।
আদালতকে রিপন জানান, প্রতিবেশী প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় বাধা দিয়েছিলেন আরাফাতের বাবা রফিকুল ইসলাম মনা। এ ছাড়া ছিনতাইয়ের ঘটনায় আরাফাতের কলেজ পড়ুয়া বড়ভাই সাক্ষী দিয়েছিল। এর জের ধরে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে হত্যা করা হয় বন্দর উপজেলার মদনপুর রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র শিশু আরাফাতকে(১১)।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের ইন্সপেক্টর শ্রী আকুল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সময় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে একাই জড়িত বলে রিপন স্বীকার করেন। আরাফাতের বড় ভাই ও বাবার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি হত্যাকাণ্ড ঘটান। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল শনিবার সকালে হত্যার কাজে ব্যবহৃত একটি ইট পুকুর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত ১৫ ডিসেম্বর রাত ৯টার দিকে বিজয় দিবসের একটি কনসার্টে নিয়ে যায় একই গ্রামের ইসলাম মিয়ার ছেলে রিপন মিয়া। ওই রাতেই বাড়ির পাশে পুরাতন স্কুল ভবনে নিয়ে আরাফাতকে প্রথমে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে দেয়। পরে গলাটিপে হত্যা করে মসজিদের পুকুরে লাশ ফেলে দিয়ে রিপন নিজেই পরিবারের সঙ্গে আরাফাতকে খোঁজাখুঁজি করে। তিন দিন পর ১৮ ডিসেম্বর আরাফাতের লাশ ভেসে ওঠে।




