346129

অ্যাঞ্জেলিনার থেকে অনুপ্রেরণা, স্ত’ন কে’টে ফেললেন মৌসুমী

ক্যানসার থেকে রক্ষা পেতে অ’স্ত্রোপচার করে স্ত’ন ও ডিম্বাশয় কে’টে ফেলেছিলেন হলিউড সুপারস্টার অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। তারই অনুপ্রেরণায় ক্যানসারের ঝুঁকিতে থাকা ভারতের পশ্চিম মেদিনীপুরের মৌসুমী রায়ও নিজের স্ত’ন ও ডিম্বাশয় কে’টে ফেললেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়, গত জানুয়ারির শেষের দিকে মৌসুমীর ডান স্ত’নে ফুসকুড়ি দেখা যায়। দ্রুতই তা টিউমারের আকার নিতে থাকে। স্বাভাবিকভাবে স্ত’ন ক্যানসারে আ’ক্রান্ত হওয়ার ভয় ভর করে তার ওপর। ১০ বছর বয়সে স্ত’ন ক্যানসারে মাকে হারানো মৌসুমীর ভয়টা একটু বেশিই ছিল।

মৌসুমী রায় বলেন, ‘স্ত’ন ক্যানসারে আ’ক্রান্ত হয়ে আমার মা মারা গিয়েছিলেন। তখন আমার বয়স মাত্র ১০। ভয় ছিল, তবে কী আমাকেও স্ত’ন ক্যানসারে মা’রা যেতে হবে?’

ওই আশঙ্কা থেকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে যান মৌসুমী। সেখানকার সার্জন শুভদীপ চক্রবর্তী টিউমারটি অ’স্ত্রোপচার করে ফেলেন। তবে এতেও আ’শঙ্কার শেষ নেই। কেটে ফেলা জায়গা থেকেও ক্যানসার হতে পারে। তাই অদূর ভবিষ্যতে ফের স্ত’ন ক্যানসার হতে পারে কি না, তা দেখার জন্য বিআরসিএ জিন টেস্ট নামের একটি পরীক্ষা করা হয়। অ্যাঞ্জেলিনা জোলি এ টেস্ট করিয়েছিলেন। ওই টেস্টে জোলির ক্যানসার হতে পারে বলে আভাস এসেছিল, মৌসুমীরও হয়েছে তাই। জোলির সঙ্গে মৌসুমীর মিল আছে আরেক জায়গায়, জোলির মাও স্ত’ন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মা’রা গেছেন।

মৌসুমী রায় বলেন, ‘অ্যাঞ্জেলিনা জোলির বিষয়টি আমি জানতাম। ক্যানসারের সম্ভাবনা সমূলে নির্মূল করতে নিজের স্ত’ন, ডিম্বাশয়, জরায়ু নালী বাদ দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সে অ’স্ত্রোপচার যে এ দেশে হয়, তা জানতাম না। সার্জন শুভঙ্কর বাবু বলেন এই অ’স্ত্রোপচার অ্যাপোলোতেই হয়। আমার স্বামী সবসময় আমার পাশে ছিল।’

সাত বছরের এক কন্যা সন্তান রয়েছে মৌসুমীর। তার কথায়, ‘আমি চলে গেলে ওর কি হবে? আমার বেঁচে থাকার এ লড়াই ওর দিকে তাকিয়ে।’

ad

পাঠকের মতামত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *