345605

গ’ণধ’র্ষণ মা’মলার রায় : আ’সামিরা খালাস, সাক্ষীর যা’বজ্জীবন

বরগুনায় গ’ণধ’র্ষণ মা’মলায় সাক্ষীকে যা’বজ্জী’বন কা’রাদ’ণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নি’র্যাতন দমন ট্রাইবুনাল। একই সাথে ৫০ হাজার টাকার অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরো এক বছর কারাদ’ণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। এ মা’মলায় আ’সামিরা খা’লাস পেয়েছেন।

রোববার বরগুনা নারী ও শিশু নি’র্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বি’চারক ও জেলা জজ মো. হাফিজুর রহমান এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ‘সাক্ষী’ হলেন বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার বাইনচটকি গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য এমাদুল হক।

মা’মলার খা’লাসপ্রাপ্তরা হলেন, একই গ্রামের খবির গাজীর ছেলে মোহসিন ও অহেদ খানের ছেলে মোয়াজ্জেম। রায় ঘোষণার সময় দ’ণ্ডপ্রাপ্ত ও খালাস পাওয়া আ’সামিরা সবাই আ’দালতে উপস্থিত ছিলেন।

মা’মলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি বরগুনা নারী ও শিশু নি’র্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে খা’লাসপ্রাপ্ত আ’সামিদের বি’রুদ্ধে গ’ণধ’র্ষণের মা’মলা করেন একই গ্রামের এক গৃহবধূ। ওই মা’মলায় দণ্ডপ্রাপ্ত এমাদুল হক ছিলেন চার নম্বর সাক্ষী।

প্রথমে বাদির অ’ভিযোগ ছিল ২০১৫ সালে ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে তার দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া মেয়েকে গ’ণধ’র্ষণ করে খা’লাসপ্রাপ্ত আ’সামিরা। কিন্তু এই মা’মলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম দণ্ডপ্রাপ্ত আ’সামি এমাদুল হকের বি’রুদ্ধে ২০১৫ সালের ৮ জুলাই অ’ভিযোগপত্র দেন।

পরে মা’মলার বাদি জানতে পারেন দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাথে খালাস পাওয়া আ’সামিদের বি’রোধ ছিল। এ কারণে দণ্ডপ্রাপ্ত এমাদুল হক বাদির মেয়েকে ধ’র্ষণ করে ওই খা’লাস পাওয়া আ’সামিদের বি’রুদ্ধে মিথ্যা মা’মলা দায়ের করাতে সহায়তা করে। ওই সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আ’সামিকে মা’মলার সাক্ষী করা হয়।

ad

পাঠকের মতামত