ফোনে ১২৯০টি প’র্ন ভিডিও, সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি শ্রমিকের কা’রাদ’ণ্ড
সিঙ্গাপুরে প্রায় ১ হাজার ৩৭৩টি অ’শ্লীল ভিডিও রাখার দায়ে জাহিদুল (৩৫) নামে বাংলাদেশি এক নির্মাণ শ্রমিককে গ্রে’প্তার করেছে পুলিশ। আ’দালতে তোলা হলে তাকে জেলে পাঠান বি’চারক। তার বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগ, শিশু দ্বারা অভিনীত প’র্ন সিনেমা ও কিছু ভিডিও নিজের সংরক্ষণে রেখেছিলেন তিনি, যা শিশু নি’র্যাতনের উপাদান ও দেশের প্রতি সাং’ঘর্ষিক।
সিঙ্গাপুরের জাতীয় পত্রিকা দ্য নিউ পেপারসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাহিদুলের বি’রুদ্ধে দেশটির সিনেমা আ”ইনের অধীনে একটি মা’মলা দায়ের করা হয়েছে। তা ছাড়া দোষ স্বী’কার করায় শিশু নি’র্যাতন বা প’র্ন আইনে কোনো মা’মলা দায়ের হয়নি। তা ছাড়া, তিনি যে ভিডিওগুলো সংরক্ষণে রেখেছিলেন, তা নিজ দেশের বা সিঙ্গাপুরের নয়। তাকে ছয় মাসের জেল দিয়েছেন বি’চারক।
সিঙ্গাপুর পুলিশ জানিয়েছে, গত ২২ জুন ইন্টারপোল থেকে তারা তথ্য পেয়েছিল, জাহিদুল দুটি শিশুর অ’শ্লীল ভিডিও শেয়ার করেছেন। গত ৩০ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় তাকে গ্রে’প্তার করা হয়েছিল। তার দুটি মোবাইলে ১ হাজার ৩৭৩টি অ’শ্লীল ভিডিও পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১ হাজার ২৯০টি প’র্ন সিনেমা। ভিডিওগুলোর মধ্যে ৮৩টি ক্লিপ ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুর।
গতকাল বৃহস্পতিবার দ্য নিউ পেপারসকে এ মা’মলার বি’চারক ওং হিয়ান সান জানান, জাহিদুল প্রাথমিকভাবে তার ওপর আরোপিত সব দোষ অস্বীকার করে। প্রসিকিউশন তাকে এক বছরের জন্য কা’রাগারে রাখার কথা বললে তিনি ভেঙে পড়েন। তাকে বলা হয়, যদি দোষ স্বীকার করেন, তাহলে তার সাজা কমানো হবে। আরোপিত অ’ভিযোগ অস্বীকার করলে তার সাজা মওকুফের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
বি’চারক ওং হিয়ান সান বলেন, ‘আমাদের দেওয়া শর্তের ওপর বিশ্বাস রেখে বাংলাদেশি নির্মাণ শ্রমিক জাহিদুল তার সব দোষ স্বীকার করেন। পরে আ’দালতে সাজা মওকুফের আবেদন করেন। দেশে পরিবারকে টাকা পাঠাতে পারছেন না বলেও তিনি জানান। তার সামগ্রিক দিক বিবেচনা করে মাত্র ছয় মাসের সাজা দেওয়া হয়। এতে তার সিঙ্গপুরে কাজের অনুমতি নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। তাকে ছয় মাস পর থেকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুরের আ’ইনে শিশুদের দ্বারা তৈরি প’র্ন বা নি’র্যাতনের উপাদান সংরক্ষণে পাঁচ বছরের কা’রাদ’ণ্ড এবং জরিমানা বা শুধু জরি’মানার বিধান রয়েছে।






