342462

শাহবাগে ধ’র্ষ’ণবি’রোধী মিছিলে পুলিশের লা’ঠিপে’টা, আ’হত ৭

নোয়াখালীতে নারীকে বি’ব’স্ত্র করে নি’র্যাত’নসহ সারা দেশে একের পর এক ধ’র্ষ’ণ ও নি’পীড়’নের ঘ’টনার বি’চারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অ’ভিমুখে কালো পতাকা মিছিলে পুলিশ বাধা দেয়ার পর হা’তাহা’তি ও লা’ঠিপে’টার ঘট”না ঘটেছে।

এতে ছাত্র ইউনিয়নের ৭ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সাখাওয়াত ফাহাদ। তিনি বলেন, ‘পুলিশের লা’ঠিপে’টায় আমাদের ৭ জন নেতাকর্মী আ’হত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

আ’হতরা হলেন- ছাত্র ইউনিয়ন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক আসমানি আশা, লালবাগ থানা শাখার দফতর সম্পাদক মাহমুদা দিপা, মোহাম্মদপুর থানার সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন। অন্যদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে জড়ো হয়ে ‘ধ’র্ষ’ণ ও নি’পীড়নবি’রোধী ছাত্র-জনতা’র ব্যানারে বি’ক্ষো’ভ শুরু করেন ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা।

প্রগতিশীল বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মী, লেখক, কবি, শিল্পী, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও নারী অধিকারকর্মীরাও তাতে যোগ দেন। বেলা সোয়া ১টার দিকে তারা শাহবাগ মোড় থেকে কালো পতাকা মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকা ঘুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে যাত্রা করলে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে পুলিশ তাদের আ’টকে দেয়।

এ সময় পুলিশের সঙ্গে মি’ছিলকারী’দের হা’তাহা’তি হয়। পরে পুলিশ লা’ঠিপে’টা শুরু করলে ছাত্র ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী আ’হত হন। প্রায় আধা ঘণ্টা সেখানে অবস্থান শেষে মি’ছিলকা’রীরা আবার শাহবাগে হয়ে টিএসসি এলাকায় ফিরে রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নেন।

প্রসঙ্গত গত ২ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকায় ওই গৃহবধূর ব’সতঘ’রে ঢুকে তার স্বামীকে পাশের কক্ষে বেঁধে রাখেন স্থানীয় বাদল ও তার সহযোগীরা। এর পর গৃহবধূকে ধ’র্ষ’ণের চেষ্টা করে তারা।

এ সময় গৃহবধূ বাধা দিলে তারা বি’ব’স্ত্র করে বে’ধড়’ক মা’রধ’র করে মোবাইলে ভিডিওচিত্র ধারণ করেন। সেটি ছড়িয়ে দেয় ইন্টারনেটে। এ ঘ’টনায় দেশব্যাপী তো’লপা’ড় সৃষ্টি হয়।

এ ঘ’টনায় নি’র্যা’তনের শি’কার ওই নারী বাদী হয়ে রোববার রাতে নারী ও শিশু নি’র্যাতন দম’ন আ’ইন এবং প’র্নোগ্রা’ফি নিয়ন্ত্রণ আ’ইনে মা’মলা দায়ের করেন। সেখানে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে অ’জ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আ’সামি করা হয়।

এছাড়া গত ২৫ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গ’ণধ’র্ষ’ণের শি’কার হন এক নববধূ। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর কাছ থেকে ওই গৃহবধূকে জোর করে তুলে নিয়ে ছাত্রাবাসে ধ’র্ষ’ণ করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে বেঁধে রাখা হয়।

এ ঘ’টনায় ভি’কটি’মের স্বামী বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় মা’মলা করেন। মা’মলায় ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মীসহ অ’জ্ঞাত আরও তিনজনকে আ’সামি করা হয়। এ পর্যন্ত মা’মলার ছয়জন এজা’হারভুক্ত আ’সামিসহ ৮ জন গ্রে’ফতার হয়েছেন।

ad

পাঠকের মতামত