গৃহবধূকে চাচি ডেকে দরজা খুলায়, এরপর চলে ধ’র্ষ’ণকা’ণ্ড
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে মা-মেয়েকে গ’ণধ’র্ষ’ণের ঘটনার দায় স্বীকার করে আ’দালতে জ’বানব’ন্দি দিয়েছে আ’সামি শাকিল মিয়া ও তার বন্ধু হারুন মিয়া। সোমবার বেলা ৩টায় হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ’দালতের বি’চারক সুলতান উদ্দিন প্রধানের আ’দালতে আ’সামিরা দায় স্বীকার করে এ জ’বানব’ন্দি দেয়। হবিগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক ওসি আল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আ’দালতে স্বী’কারো’ক্তি দেওয়া আ’সামিরা হলো জেলার চুনারুঘাট উপজেলার জিবধর ছড়া এলাকার সফিক মিয়ার ছেলে শাকিল মিয়া (২৫)ও একই এলাকার রেজ্জাক মিয়ার ছেলে হারুন মিয়া (১৯)। এই ঘ’টনায় মা’মলার অন্যতম আ’সামি সালাউদ্দিন পলা’তক রয়েছে।
শাকিলের বরাত দিয়ে কোর্ট ইন্সপেক্টর ও মা’মলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) জানান, পূর্ব প’রিকল্পিতভাবে পাহাড়ি এলাকায় গত শুক্রবার গভীর রাতে গরমছড়ি ফরেস্ট এলাকায় মাজারে ঘুরতে যায় শাকিল হারুন ও সালাউদ্দিনসহ তার দলবল। সেখানে তারা হাত মুখ ধুয়ে মাজারের অদূরে পাহাড় বেষ্টিত পূর্বদিকের টিলায় জনৈক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে গৃহবধূকে চাচি ডেকে দরজা খুলতে বলে। পূর্ব পরিচিত ওই গৃহবধূ শাকিলকে চা-পান দেন। এ সুযোগে শাকিলের নেতৃত্বে একদল যুবক হানা দিয়ে গৃহবধূ (৪৫) ও তার কন্যাকে (২৫) হাতে মুখে কাপড় বেঁ’ধে ধ’র্ষ’ণ করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পর ভি’কটি’ম মেয়ে বাদী হয়ে শনিবার রাতে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আ’সামি করে একটি মা’মলা দায়ের করেন।
মা’ম’লার প্রেক্ষিতে রবিবার বিকেলে চুনারুঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) চম্পক দামের নেতৃত্বে এসআই শেখ আলী আজহার ও এসআই মুসলিম উদ্দিনসহ একদল পুলিশ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল অ’ভিযান চা’লিয়ে দুজনকে আ’টক করেন। হবিগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক ওসি আল আমিন জানান, আ’টককৃ’তদের আ’দালতে স্বী’কারো’ক্তি শেষে কা’রাগারে পাঠানো হয়েছে। সূত্রঃ কালের কন্ঠ






