বড় বোনকে ধ’র্ষ’ণের তিন বছর পর ছোট বোনকে ধ’র্ষ’ণ
বৃদ্ধের লা’লসা’র শি’কার কিশোরী দুই বোন। এই ঘট’নায় অ’ভিযু’ক্ত ‘ধ’র্ষ’ক বৃদ্ধ হারুনুর রশিদকে গ্রে’প্তার করেছে পুলিশ। রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার ইসলামপুরের মধ্য-পাড়া এলাকায় এ ঘ’টনাটি ঘটে। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ১১ বছরের প্রতিবন্ধী কিশোরীকে রোববার সকালে ধ’র্ষ’ণ করার অ’ভিযোগ ওঠে মধ্য-পাড়া এলাকার আতাহার আলীর ছেলে হারুনুর রশিদ (৮০)। প্রতিবন্ধীর মা বাদী হয়ে নানিয়ারচর থানায় মা’ম’লা দায়ের করলে পুলিশ ধ’র্ষ’ক হারুনুর রশিদকে গ্রে’প্তার করে।
ধ’র্ষ’ণের শি’কার ওই কিশোরীর মা জানান, তিন বছর আগে তার বড় মেয়েকে ধ’র্ষ’ণ করে কৃষক হারুনুর রশিদ। সে সময় হা’তেনা’তে ধ’রাও পড়েন তিনি। তখন বড় মেয়ের বয়স ছিল ১০ বছর। সে সময় গ্রাম্য শা’লিসে বিষয়টি নি’ষ্পত্তি হয়। ধ’র্ষ’ককে দশ হাজার টাকা জরি’মানাও করা হয়। সেই একই লোক গত রোববার সকালে বাসায় কেউ নেই জেনে তার ১১ বছরের প্রতিবন্ধী কিশোরীকেও ধ’র্ষ’ণ করে।
জানা যায়, ধ’র্ষ’ণের শি’কার মেয়েটি বাক প্রতিবন্ধী, নিজে নিজে খেতে এবং হাঁটাচলাও করতে পারে না। তার মা জানান, ঘটনার পর মেয়েকে প্রথমে নানিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য নুর ইসলাম জানায়, রোববার দুপুরে উপজেলা সদরে একটি অনুষ্ঠানে থাকাবস্থায় মোবাইলে ঘ’টনার কথা জানতে পারি। খবর নিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হই। এরমধ্যে ভিকটিমের পরিবারের পক্ষ থেকেও জানানো হলে তাদের নিয়ে থানায় গিয়ে মা’ম’লা দায়ের করি।
নানিয়ারচর থানার এসআই রওশন জানায়, প্রতিবন্ধী কিশোরীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নি’র্যাতন দ’মন আ’ইনের ৯(১) ধারায় মা’মলা দায়ের করে। আ’সামিকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি জেল হাজতে রয়েছে।






