রিফাত হ’ত্যা: আপিল করতে হা’ইকোর্টে মিন্নির বাবা
বরগুনার আ’লোচিত রিফাত শরীফ হ’ত্যা মা’মলায় তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির ফাঁ’সির রায়ের বি’রুদ্ধে উচ্চ আ’দালতে আপিল করতে ঢাকায় এসেছেন তার বাবা। রায়ের কপি হাতে পেয়েই শনিবার রাতে ঢাকা পথে রওনা হন মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর।
রোববার রায়ের কপি নিয়ে সুপ্রিমকোর্টের আ’ইনজীবী জেড আই খান পান্নার সঙ্গে তিনি দেখা করতে গেছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে। মিন্নির আ’ইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম জানান, শনিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে মিন্নির বাবা রায়ের কপি হাতে পেয়েছেন। কপি পাওয়ার পরপরই তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে বরগুনা ছেড়েছেন।
রিফাত হ’ত্যা মা’মলার ৪২৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় শনিবার সন্ধ্যায় প্রকাশ করা হয়। মিন্নির বাবাই আ’দালত থেকে এ রায়ের কপি প্রথম হাতে পান বলে জানা গেছে। রিফাত হ’ত্যা মা’মলায় গত ৩০ সেপ্টেম্বর তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ প্রা’প্তবয়’স্ক ছয় আ’সামিকে মৃ’ত্যুদ’ণ্ড দেয় আ’দালত। প্রা’প্তবয়’স্ক বাকি চার আ’সামি পেয়েছে বে’কসুর খা’লাস।
ফাঁ’সির দ’ণ্ডপ্রা’প্তরা হলেন- মো. রাকিবুল হাসান ওরফে রিফাত ফরাজী (২৩), আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বি আকন (২১), মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত (১৯), রেজোয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয় (২২), মো. হাসান (১৯) ও আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি (১৯)।
এছাড়া এ মা’মলায় চার আ’সামিকে বে’কসুর খা’লাস প্রদান করা হয়েছে। খা’লাসপ্রা’প্তরা হলেন- মো. মুসা (২২), রাফিউল ইসলাম রাব্বি (২০), মো. সাগর (১৯) ও কামরুল হাসান সায়মুন (২১)।
উল্লেখ্য, রিফাত হ’ত্যা মা’মলায় ২৪ জনকে আ’সামি করে দুটি ভাগে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর চা’র্জশিট দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। এর মধ্যে ১০ জন প্রা’প্তবয়’স্ক ও ১৪ জন শিশু আ’সামি।
২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনের সড়কে রিফাত শরীফকে প্র’কা’শ্যে কু’পিয়ে জ’খম করে নয়ন ব’ন্ডের গড়া কিশোর গ্যাং বন্ড গ্রুপ। এ ঘ’টনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে দেশব্যাপী আ’লোড়ন সৃষ্টি হয়। ২ জুলাই মা’মলার প্রধান আ’সামি নয়ন ব’ন্ড স’ন্ত্রা’সীর গু’লিতে নি’হত হন।






