মিন্নির পক্ষে বিনা পয়সায় লড়েছেন, কে এই অ্যাডভোকেট ফয়সাল?
বরগুনার আ’লোচিত রিফাত হ”ত্যা মা’মলার প্রধান সাক্ষী থেকে ফাঁ”সির আ’সা’মি হয়ে কা’রাগা’রে আছেন আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি।প্রথম গ্রফ’তারের পর মিন্নিকে কা’রাগা’র থেকে বের করতে উচ্চ আ’দালতে বিনা পয়সায় আইনি ল’ড়া’ই করছেন একদল আইনজীবী।
মিন্নির পক্ষে আইনজীবী প্যানেলের নেতৃত্বে রয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না। আইনজীবী প্যানেলের অন্যরা হলেন, অ্যাডভোকেট আইনুন্নাহার লিপি, অ্যাডভোকেট মাক্কিয়া ফাতেমা ইস’লাম, অ্যাডভোকেট মাহরিন মাসুদ ভূইয়া, অ্যাডভোকেট আয়েশা আক্তার, অ্যাডভোকেট রোনা নাহরিন, অ্যাডভোকেট রোহানী ফারুক খান, অ্যাডভোকেট জামিউল হক ফয়সাল, অ্যাডভোকেট দেবাজিৎ দেবনাথ, অ্যাডভোকেট নাজমু’স সাকিব।
তরুণ এই আইনজীবীদের মধ্যে অ্যাডভোকেট জামিউল হক ফয়সাল নিকলী সদর ইউনিয়নের পূর্বগ্রামের সন্তান যিনি বিনা টাকায় মিন্নির মা’মলা ল’ড়ে’ছেন। সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী জামিউল হক ফয়সাল নিকলী সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ এম ছলিমুল হক এর ছে’লে।
গত ১৯ আগস্ট বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাই’কোর্ট বেঞ্চে মিন্নির জা’মিন আবেদনের শুনানি শুরু হয়। (২০ আগস্ট) পর্যন্ত এই মা’মলার শুনানি মুলতবি রাখা হয়।
জামিন শুনানিতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেডআই খান পান্নার নেতৃত্বে অ্যাডভোকেট জামিউল হক ফয়সাল সহ আইনজীবী প্যানেলের অন্য আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না বলেন, ‘যে মুহূর্তে শুনেছি বরগুনার আ’দালতে মিন্নির পক্ষে কোনো আইনজীবী দাঁড়াননি, তখন থেকেই আম’রা তাকে আইনি সহযোগিতা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেই। একটি অসহায় মে’য়ের পক্ষে আম’রা আইনি ল’ড়া’ই করছি, এটাই আ’ত্মতৃ’প্তি। এ কাজে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে আ’ইন ও সা’লিশ কেন্দ্র এবং ব্লাস্ট।’
গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে স”ন্ত্রা’সীরা প্র’কাশ্যে রা’ম’দা দিয়ে কু”পি’য়ে গু’রুতর আ’হ’ত করে রিফাত শরীফকে। তার স্ত্রী’ আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি হা”ম’লাকারীদের সঙ্গে ল’ড়া’ই করেও তাদের দ’মা’তে পারেননি।
গু’রু’তর আ’হ’ত রিফাতকে ওইদিন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে ভর্তি করা হলে বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মা’রা যান।
এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বা’দী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ ও পাঁচ-ছয় জনকে অজ্ঞা’ত আ’সা’মি করে বরগুনা থা’নায় একটি হ”ত্যা মা’মলা দা’য়ের করেন। ওই মা’মলায় প্রথমে মিন্নিকে সা’ক্ষী হিসেবে দেখানো হয়।
পরে ১৬ জুলাই সকাল পৌনে ১০টার দিকে মিন্নিকে তার বাবার বাড়ি বরগুনা পৌর শহরের নয়াকা’টা-মাইঠা এলাকা থেকে পু’লিশ লাইনে জি’জ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়। এরপর দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৯টায় তাকে গ্রে’প্তার দেখানো হয়।
পরদিন (১৭ জুলাই) মিন্নিকে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ’দালতে হাজির করে সাত দিনের রি’মা’ন্ড আ’বেদন করা হলে বিচারক মোহাম্ম’দ সিরাজুল ইস’লাম গাজী পাঁচ দিনের রি’মান্ড মঞ্জুর করেন। রি’মান্ড শেষ হওয়ার আগেই মিন্নি ১৬৪ ধারায় আ’দালতে স্বী’কারোক্তিমূ’লক জবানব’ন্দি দেন।
বরগুনার আ’দালতে মিন্নির জা’মিন আবেদন জানালেও তার জা’মিন মেলেনি। নিম্ন আ’দালতে ব্য’র্থ হয়ে হাই’কোর্টে জা’মিন আবেদন করেন মিন্নির আইনজীবীরা।
গত ৮ই আগস্ট বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাই’কোর্ট বেঞ্চ মিন্নির জা’মিন আবেদন ফেরত দেন। হাই’কোর্ট জা’মিন না দিয়ে রুল জা’রির ইচ্ছা প্রকাশ করলে মিন্নির আইনজীবীরা জা’মিন আবেদন ফেরত নেন।
পরে রোববার (১৮ আগস্ট) মিন্নির জা’মিন চেয়ে অন্য একটি বেঞ্চে আবেদন দাখিল করেন তার আইনজীবী।পরে জা’মিন পেয়েছিলেন মিন্নি।






