342279

গোর্খাল্যান্ড: বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্র করছে বিজেপি!

নতুন বছরের শুরুতেই পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যসভার নির্বাচন। তার আগে আরও একবার ‘গোর্খাল্যান্ড’ ইস্যু উসকে দিল কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার। এ নিয়ে আলোচনা করতে বৈঠক ডেকেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিসান রেড্ডি। বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্র সচিব, দার্জিলিঙের জেলাশাসক, জিটিএর প্রধান সচিব ও গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সভাপতিকে।

এই বৈঠক ঘিরে রাজ্যের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ, বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্র করছে বিজেপি। এই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। তার দাবি, রাজনৈতিকভাবে দার্জিলিঙেয়ের স্থায়ী সমাধান চায় কেন্দ্র।

জিনিউজের খবরে বলা হয়েছে, সমস্যার মূলে রয়েছে কেন্দ্রের চিঠি। আর তাতে স্পষ্টভাবে লেখা ‘গোর্খাল্যান্ড’ শব্দটি, যা নিয়ে ইতোমধ্যেই আপত্তি তুলেছে তৃণমূল। তাদের বক্তব্য, গোর্খাল্যান্ড শব্দের ব্যবহার করে কী বোঝাতে চাইছে কেন্দ্র? তবে কি বাংলা ভাগ চায় বিজেপি! এটা হতে দেওয়া যাবে না।

আগামী ৭ অক্টোবর, বুধবার বৈঠক ডাকা হয়েছে। এতে নেতৃত্ব দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিসান রেড্ডি। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার রোশন গিরি জানিয়েছেন, বৈঠকে প্রতিনিধি পাঠাবেন তারা।

সবশেষ লোকসভার অধিবেশনে দাঁড়িয়ে দার্জিলিঙের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা বলেছিলেন, মোদি সরকার অনেক বড় সমস্যার সমাধান করেছে। পাহাড় ও ডুয়ার্সের মানুষও স্থায়ী সমাধান চান। দীর্ঘদিন ধরে গোর্খাল্যান্ডের দাবি করে আসছেন তারা। ২০১৯ সালে নির্বাচনী ইস্তাহারে স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি।

তার ওই বক্তব্যের এক মাস যেতে না যেতেই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর গোর্খাল্যান্ড নিয়ে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। এ কারণেই প্রশ্নটা উঠছে জোরালোভাবে। তৃণমূল নেতা গৌতম দেব বলেন, বিজেপি বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্র করছে। কোনোভাবেই সফল হতে দেব না। এই ষড়যন্ত্র রুখে দেব।

কেন্দ্রীয় সরকারের এমন পদক্ষেপে বেশ বিপাকে পড়েছে রাজ্য বিজেপি। রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু তাই কিছুটা নরম সুরেই বলেছেন, বাংলা ভাগের বিরোধী বিজেপি। তবে রাজনৈতিক পথে স্থায়ী সমাধান চায়।

ad

পাঠকের মতামত