342258

স্বামীকে রেখে স্ত্রীকে নিয়ে যান তারেক, ধ’র্ষ’ণে অংশ নেন আটজন

সিলেটের এমসি ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে গ’ণধ’র্ষ’ণের মা’মলার এজাহারভুক্ত আরও দুই আ’সামি তারেক ও মাসুম ১৬৪ ধারায় স্বী’কারো’ক্তিমূলক জ’বানবন্দি দিয়েছেন।

এ নিয়ে আ’লোচিত গ’ণধ’র্ষণ মা’মলায় গ্রে’ফতার আটজনের সবাই আ’দালতে ১৬৪ ধারায় স্বী’কারো’ক্তিমূ’লক জ’বানব’ন্দি দিলেন। এর আগে গত শুক্র ও শনিবার রাতে দুই দফায় তিনজন করে ছয়জন স্বী’কা’রোক্তিমূ’লক জ’বানব’ন্দি দেন।

রোববার (০৪ অক্টোবর) সিলেটের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম জিয়াদুর রহমানের আ’দালতে তারেক ও মুখ্য মহানগর হাকিম (দ্বিতীয়) আ’দালতের বি’চারক মো. সাইফুর রহমানের আ’দালতে ১৬৪ ধারায় জ’বানব’ন্দি দেন মাসুম।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মা’মলার ২ নম্বর আ’সামি তারেকুল ইসলাম তারেক জ’বানব’ন্দিতে আ’দালতকে জানান, এমসি কলেজ গেট থেকে গৃহবধূর সঙ্গে থাকা লোকদের সরিয়ে প্রাইভেটকার চালিয়ে ছাত্রাবাসে নিয়ে যান। এরপর প’র্যায়ক্রমে সাইফুর রহমান, অর্জুন লস্কর ও তারেক গৃহবধূকে ধ’র্ষ’ণ করেন।

মা’মলার অপর আ’সামি এমসি কলেজ ছাত্র মাহফুজুর রহমান মাসুম আ’দালতকে জানান, ঘ’টনার খবর পেয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘ’টনাস্থলে পৌঁছান তিনি। তিনি ওই নারীকে ধ’র্ষ’ণ করেননি। ছাত্রাবাসে তার নামে একটি কক্ষ বরাদ্দ থাকলেও এটি ব্যবহার করতেন ধ’র্ষ’ণ ও অ’স্ত্র মা’ম’লার প্রধান আ’সামি ছাত্রলীগকর্মী সাইফুর।

রোববার দুই আ’সামি দায় স্বীকার করে জ’বানব’ন্দি দেয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) অমূল্য কুমার চৌধুরী।

তিনি বলেন, তারা দুজন ধ’র্ষ’ণের সঙ্গে জ’ড়িত থাকার দায় স্বীকার করেছেন। জ’বানবন্দি গ্রহণ শেষে তাদের কা’রাগা’রে পাঠানো হয়। এ নিয়ে মা’ম’লায় গ্রে’ফতার আট আ’সামি ধ’র্ষ’ণের দায় স্বী’কার করে জ’বানব’ন্দি দিয়েছেন।

পাঁচদিনের রি’মান্ড শেষে রোববার বিকেল পৌনে ৩টার দিকে মা’ম’লার ২ নম্বর আ’সামি তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮), ৬ নম্বর আ’সামি মাহফুজুর রহমান মাসুমকে অতিরিক্ত মহানগর হাকিম জিয়াদুর রহমানের আ’দালতে হাজির করা হয়।

এরপর তারা স্বী’কারো’ক্তিমূলক জ’বানব’ন্দি দেন। এর আগে শুক্রবার রাতে ও শনিবার সন্ধ্যায় আ’লোচিত এ মা’মলার অপর ছয় আ’সামি সাইফুর রহমান, অর্জুন লস্কর, রবিউল ইসলাম, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, মিসবাহ উর রহমান রাজন ও আইনউদ্দিন আ’দালতে ১৬৪ ধারায় ধ’র্ষ’ণের দায় স্বীকার করে জ’বানব’ন্দি দেন।

এতে ঘ’টনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে তারা ধ’র্ষ’ণের বিস্তারিত বর্ণনা দেন। জ’বানব’ন্দিতে কে ধ’র্ষ’ণ করেছেন আর কারা সহায়তা করেছেন এসব তথ্য অকপটে আ’দাল’তকে অবহিত করেন তারা। এর আগে চা’ঞ্চল্যকর এই মা’মলায় গ্রে’ফতার আট আ’সা’মির প্রত্যেককে ধাপে ধাপে পাঁচদিন করে রি’মা’ন্ডে নেয় পুলিশ।

২৫ সেপ্টেম্বর রাতে এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গ’ণধ’র্ষ’ণের শি’কার হন এক গৃহবধূ। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর কাছ থেকে ওই গৃহবধূকে জো’র করে তুলে নিয়ে ছাত্রাবাসের সামনে প্রাইভেটকারের মধ্যে পা’লাক্র’মে ‘ধ’র্ষ’ণ করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে আ’টকে রাখেন দুজন।

এ ঘ’টনায় ওই গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় মা’মলা করেন। মা’মলায় ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মীসহ অ’জ্ঞাত আরও তিনজনকে আ’সামি করা হয়।

গ’ণধ’র্ষ’ণে অ’ভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মীরা সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক রণজিৎ সরকারের অনুসারী।

এ ঘ’টনায় র‌্যাব ও পুলিশ এ’জাহা’রভুক্ত ছয় আ’সা’মিসহ সন্দেহভাজন আরও দুজনকে গ্রে’ফতার করে। গ্রে’ফতারকৃ’ত মোট আটজনের সবাইকে ধা’পে ধা’পে পাঁচদিন করে রি’মা’ন্ডে নেয় পুলিশ। শুক্রবার, শনিবার ও রোববার ১৬৪ ধারায় স্বী’কারো’ক্তিমূলক জ’বানব’ন্দি দেন আট আ’সামি। সূত্রঃ জাগো নিউজ

ad

পাঠকের মতামত