341738

‘অ’পহ’রণের পর খু’ন হওয়া’ যুবক জী’বিত ফিরলেন ৬ বছর পর!

ফতুল্লা থানায় একটি অ’প’হরণ মা’মলার ছয় বছর পর নিজেই আ’দালতে হাজির হয়েছেন কথিত অ’পহৃত মামুন নামের এক যুবক। অথচ পুলিশ তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, ওই অপ’হৃত’কে হ’ত্যার পর লা’শ গু’ম করে শীতলক্ষ্যায় ফেলে দিয়েছে।

আর সিআইডি তাদের দেয়া চার্জশীটে বলেছেন, ওই যুবককে অ’পহরণ করা হয়েছে। এসব কারণে গত ৪ বছর ধরেই মা’মলার আ’সামি হয়ে বিভিন্ন সময়ে কারাভোগ ও রি’মান্ডের শি’কার হয়েছেন খালাতো বোনসহ ছয়জন। মা’মলাটির বিচা’রকাজও সম্পন্নের পথে ।

এ অবস্থায় বুধবার বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ আ’দালতপাড়ায় কথিত অপ’হৃত হাজির হলে দেখা দেয় চাঞ্চল্য। ওই সময়ে বিবাদীপক্ষের লোকজন ক্ষে’পে গিয়ে বাদী’পক্ষের উপর হাম’লা করেছেন। আর এতে কয়েকজন আ’হত হওয়ার ঘ’টনাও ঘটেছে।

অ’ভিযোগ উঠেছে, পুলিশ মা’মলার বিষয়ে সঠিকভাবে তদন্ত না করে আ’সামিদেরকে গ্রে’ফতার করে অমা’নুষিকভাবে নি’র্যাতন-নি’পীড়ন করে জো’র করে জ’বানবন্দী নেয়ার চেষ্টা করেছে। সেই সাথে কোনোরকম তদন্ত রিপোর্ট দিয়েই আ’সামিদের দো’ষী সাব্যস্ত করে মাম’লার বিচা’রিক কার্যক্রম শেষ করার প্রক্রিয়াধীন ছিল। এরই মধ্যে ভি’কটিম আ’দালতে হাজির হয়ে যান। একই সাথে মা’মলার নতুন মো’ড় নেয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১০ মে মামুন অ’পহরণ হয়েছে অভি’যোগ এনে দুই বছর পর ২০১৬ সালের ৯ মে ফতুল্লা মডেল থানায় মা’মলা করেন বাবা আবুল কালাম। ওই মা’মলায় ছয়জনকে বিবাদী করা হয়। তাদের বি’রুদ্ধে মামুনকে অপ’হরণের পর গু’মের অভি’যোগ করা হয়েছিল। মা’মলাটি প্রথমে পুলিশ ও পরে সিআইডি তদন্ত করে।

অ’পহ’রণ মা’মলায় পুলিশ ও সিআইডির ভুল প্রতিবেদনে কারাভোগ করতে হয়েছে একই পরিবারের ছয়জনকে। তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ করতে হয়েছে। ইতোমধ্যে মা’মলাটির বিচারকাজও শুরু হয়। কিন্তু এরই মধ্যে আদা’লতে হাজির হন কথিত অ’পহৃত সেই যুবক।

অথচ পুলিশ তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, ওই অপ’হৃতকে হ’ত্যার পর লা’শ গু’ম করে শীতলক্ষ্যায় ফেলে দিয়েছে। আর সিআইডি তাদের দেয়া চার্জশিটে বলেছেন, যুবকটিকে অপ’হরণ করা হয়েছে।

এসব কারণে গত চার বছর ধরেই মা’মলার আ’সামি হয়ে বিভিন্ন সময়ে কারাভোগ ও রি’মান্ডের শি’কার হয়েছেন খালাতো বোনসহ ছয়জন।

মা’মলাটি প্রথমে তদন্ত করে পুলিশ। ওই মা’মলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন ফতুল্লা মডেল থানার এসআই মিজানুর রহমান। তিনি আ’দালতে আ’সামিদের রি’মান্ড চাওয়ার সময়ে আর্জিতে উল্লেখ করেন, ‘খালাতো বোন তাসলিমা ২০১৪ সালের ১০ মে মামুনকে ডেকে নিয়ে কৌশলে অপ’হরণ করে বি’ষাক্ত শরবত পান করিয়ে নি’র্মমভা’বে হ’ত্যা করে লা’শ শীতলক্ষ্যায় ফেলে দিয়ে গু’ম করেছে।’

পরে মা’মলাটি তদন্ত করে সিআইডি। নারায়ণগঞ্জ সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ ২০১৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর মা’মলার চার্জশিট আ’দালতে দাখিল করেন।

চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, বিয়েতে রাজি না হওয়াতে বিবাদী ছয়জন মিলে মামুনকে কোমল পানিয়ের সাথে চেত’নানা’শক দ্রব্য খাইয়ে অচে’তন করে অপহ’রণ করে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে অ’জ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। তবে কোথায় কিভাবে কি অবস্থায় রাখা হয়েছে সেটা জানা যায়নি।

এর আগে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় এ ধরনের আরেকটি ঘট’নার সন্ধান পাওয়া যায়। জিসা মনি নামে একটি মেয়ে নিজে আ’ত্মগোপন করে থাকলেও ৫২ দিন পর সে ফিরে আসে। অথচ মা’মলার তিন আসামি ১৬৪ ধারায় স্বী’কারোক্তি’মূলক জবানবন্দী দেন যেখানে উল্লেখ করা হয়, তারা তিনজন মিলে জিসা মনিকে ধ’র্ষ’ণ করে লা’শ শীতলক্ষ্যায় ভাসিয়ে দিয়েছেন। নয়া দিগন্ত

ad

পাঠকের মতামত