341352

কর ফাঁকির প্রতিবেদন ‘ফেইক নিউজ’ দাবি ট্রাম্পের

প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে উ’ত্তেজনার মধ্যেই এবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশাল আয়কর ফাঁকির তথ্য সংবাদের শিরোনাম হয়েছে। ২০০০ সাল থেকে ১৫ বছরের মধ্যে টানা ১০ বছর, কোনো প্রকার আয়করই দেননি ট্রাম্প। রোববার নিউইয়র্ক টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ বিষয়টি। যদিও ট্রাম্প অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ‘এটি সম্পূর্ণ ফেইক নিউজ’। এদিকে ক্ষমতায় এলে ট্রাম্পের একক সিদ্ধান্তগুলো বাতিল করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ডোমোক্র্যাট দলীয় প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জো বাইডেন।

মার্কিন নির্বাচনের আর মাত্র দুই মাস বাকি। সময় যত ঘনিয়ে আসছে ততই উত্তেজনা বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ময়দানে। ভোট কেন্দ্রীক প্রচারণার মধ্যেই এবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি বিশাল অংকের ট্যাক্স ফাঁকি দিয়েছেন। রোববার নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০০ সালের প্রথম ১৫ বছরের মধ্যে ১০ বছরই কোনো আয়কর দেননি ট্রাম্প। কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন, ব্যবসায়িক ক্ষতিকে। এছাড়া, ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় পাবার পর এবং ২০১৭ সালে হোয়াইট হাউসে ওঠার পর কেবল দুই বছরে মাত্র ৭শ’ ৫০ ডলার বা প্রায় ৬৪ হাজার টাকা করে আয়কর দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ধনী এই ব্যবসায়ী। ট্রাম্পের এমন কাণ্ডকে আশ্চর্যকর বলছেন বিশ্লেষকরা। এমন আয়কর ফাঁকি দেয়া ব্যক্তিকে আর প্রেসিডেন্ট না বানানোর দাবিও উঠেছে।

যদিও প্রেসিডেন্ট বিষয়টিকে অস্বীকার করে বলেছেন এটি পুরোপুরি ফেইজ নিউজ। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগকে ঘিরে ট্রাম্প যে রাজনীতি শুরু করেছেন, তা বন্ধ করার জন্য সিনেটরদের এক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেন। তিনি বলেন, ক্ষমতায় এলে ট্রাম্পের স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্তগুলো বাতিল করা হবে।

নারী বিচারক এমি কোনি ব্যারেটকে মনোনয়ন দিয়ে ট্রাম্প রক্ষণশীল খ্রিস্টান ধর্মীয় একটি গ্রুপকে খুশি করতে চেয়েছেন বলেও সিএনএন-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ‘পিপলস অব প্রেইস’ নামে ক্যাথলিক গোষ্ঠীর সদস্য ৪৮ বছর বয়সী এই নারী। এর আগেও তিনি ট্রাম্পের পক্ষে কাজ করেছেন। অভিবাসন বিরোধী হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে।

ad

পাঠকের মতামত