নুরকে চ্যালেঞ্জ করেছেন সেই ঢাবি ছাত্রী (ভিডিও)
ধ’র্ষণ মা’মলা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ করেছেন মা’মলার বাদী ঢাবির সেই শিক্ষার্থী।
নুরুল হক নুর সামাজিকমাধ্যমে এক লাইভ ভিডিওতে দাবি করেন, টাকার বিনিময়ে ছাত্র অধিকার পরিষদকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে ওই শিক্ষার্থী এ মা’মলা করেছেন। নুরের এমন বক্তব্যের জবাবে তিনিও সামাজিকমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। নুর তার অ’ভিযোগ প্রমাণ না করতে পারলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও হুঁ’শিয়ারি দেন ওই ছাত্রী।
সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে ঢাবি ছাত্রী বলেন, নুরুল হক নুর একটা লাইভে বলেছেন যে, টাকার বিনিময়ে কোনো এক সংগঠনের প্রশংসা পাওয়ার জন্য আমি এটা করেছি। উনি যদি এটা প্রমাণ করতে পারেন যে টাকার বিনিময়ে আমি এটা করেছি, তো তিনি যেন একটা প্রমাণ করে দেন। আর যদি উনি এটা প্রমাণ করতে না পারেন যে আমি টাকার বিনিময়ে আমি মা’মলা করে ছাত্র অধিকার পরিষদকে প্রশ্নবিদ্ধ করছি, তাহলে আমি তার ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবো।
তিনি আরও বলেন, ‘আর একটা ব্যাপার হচ্ছে যে, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ বা ঢাকা ইউনিভার্সিটি বা এমন কোনো জায়গায় এমন কোনো সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি যে, একটা মেয়ে তার সম্ভ্রমটাকে পুঁজি করে একটা মিথ্যা মা’মলা করবে। আমাকে নিয়ে যেরকমটা বলা হচ্ছে তার কোনো ভিত্তি নাই আসলে। আমি ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়ি, কারো প্ররোচনায় বা টাকা নিয়ে আমি এমনটা করছি, সেটার কোনো ভিত্তি নাই।
তিনি আরো বলেন, একটা খবর প্রকাশ পেয়েছে যে ‘ভিপি নুরের বি’রু’দ্ধে ধ’র্ষণ মা’মলা ঢাবি শিক্ষার্থীর’। এই শিরোনামে একটা নিউজ হয়। আমি কিন্তু আমার এজাহারের কোথাও সেটা লিখিনি যে ভিপি নুর হচ্ছে ধ’র্ষক। তবে ধ’র্ষণে সহায়তা বলতে আমি বুঝিয়েছি, বিচারপ্রাপ্তিতে সে (ভিপি নুর) বাধা দিয়েছে। আর যে অ’পরাধী, একজন ধর্ষ’ককে সে আশ্রয় দিয়েছে। আমি ভিপি নুরের ব্যাপারে এভাবে বলেছি।
এর আগে, গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থী লালবাগ থানায় একটি ধ’র্ষণ মা’মলা করেন। মা’মলায় মোট ছয়জনকে আ’সামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ধ’র্ষণে সহযোগী হিসেবে নুরুল হক নূরের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) শাহবাগের বি’ক্ষোভ থেকে নূরসহ সাতজনকে আ’টক করে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে কিছুক্ষণ পর নূরকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করানো হয়। পরে সেখান থেকে নুরুল হক নূরকে ছেড়ে দেয়া হয়।






