ছাত্রাবাসে গ’ণধ’র্ষণের প্র’তিবাদে উত্তাল এমসি কলেজ
ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁ’ধে রেখে তরুণীকে গ’ণধ’র্ষণের ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে সিলেটের এমসি কলেজ ক্যাম্পাস। ন্যাক্কারজনক এ ঘটনার প্র’তিবাদ ও অ’ভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিচার দাবিতে বি’ক্ষোভ করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শনিবার দুপুরে ক্যাম্পাসসংলগ্ন সিলেট-তামাবিল সড়ক অ’বরোধ করে বি’ক্ষোভ শুরু করেন তারা। এসময় তারা ধ’র্ষণকা’রীদের বি’চার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
শিক্ষার্থীরা অ’ভিযোগ করেন, করোনা পরিস্থিতিতে কলেজ বন্ধ থাকার পরেও কর্তৃপক্ষ কীভাবে ছাত্রাবাস খোলা রাখেন। কর্তৃপক্ষের অবগত থাকার পরেও কেন ছাত্রাবাস বন্ধ করে দেয়া হল না। যে কারণে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠে ক’লঙ্কের দা’গ লেগেছে বলে মনে করেন তারা।
এসময় শিক্ষার্থীরা গ’ণধ’র্ষণের ঘটনার সঙ্গে জ’ড়িতদের দ্রুত গ্রে’ফতার ও বিচার দাবি করেন। অন্যথায় তারা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বলে হু’শিয়ারি দেন। আ’ন্দোলন চলাকালে টায়ার জ্বা’লিয়ে বি’ক্ষোভ করতে দেখা গেছে শিক্ষার্থীদের। অ’প্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কলেজ ও ছাত্রাবাসে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার সিলেটের এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ধ’র্ষণের শি’কার হন ওই তরুণী। রাত সাড়ে ৯টার দিকে টিলাগড় এলাকার কলেজটির ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে। ওই তরুণীকে ক্যাম্পাস থেকে তুলে ছাত্রাবাসে নিয়ে ধ’র্ষণ করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় একটি মা’মলা করেছেন। মা’মলায় ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মী ও অজ্ঞাত আরও ৩ জনকে আ’সামি করা হয়েছে।
মা’মলার আ’সামিরা হলেন- এমসি কলেজ ছাত্রলীগের নেতা ও ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫), সাইফুর রহমান (২৮), রবিউল ইসলাম (২৫), অর্জুন লস্কর (২৫) ও তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮) । এদের মধ্যে অর্জুন ও তারেক (২৮) বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মী বলে জানা গেছে।
আ’সামিদের মধ্যে সাইফুরের বাড়ি বালাগঞ্জে, রবিউলের দিরাইয়ে, মাছুমের কানাইঘাটে, অর্জুনের জকিগঞ্জে, রনির হবিগঞ্জে এবং তারেকের বাড়ি সুনামগঞ্জে।






