প্রেমের বিয়ে, অতঃপর স্ত্রীকে ‘জুসে বি’ষ মিশিয়ে খাইয়ে হ’ত্যা’
প্রেম করে বিয়ের ছয় মাসের মধ্যেই জুসের বোতলে কী’টনা’শক মিশিয়ে স্ত্রীকে খাইয়ে হ’ত্যার অ’ভিযোগ উঠেছে স্বামীর বি’রুদ্ধে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ভোরে পাবনার চাটমোহর উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের জগতলা গ্রামের নিজ বাড়িতে গৃহবধূর মৃ’ত্যু হয়। এ ঘটনার পর অভিযুক্তকে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ।
মৃ’ত আরিফা খাতুন (১৮) উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের জগতলা গ্রামের মৃ’ত আব্দুল আজিজের মেয়ে এবং অভিযুক্ত স্বামী রুবেল হোসেন (১৮) আটঘরিয়া উপজেলার চাঁদভা ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের বাহাজ উদ্দিনের ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রেমের সম্পর্কের পর মাস ছয়েক আগে আরিফাকে বিয়ে করেন রুবেল হোসেন। মেয়ের পরিবার থেকে বিয়ে মেনে নিলেও ছেলের পরিবার প্রথম থেকেই মেয়েটিকে নানাভাবে নি’র্যাতন করে। ছেলের মা, খালা, মামারা যৌতুকের জন্য মেয়েটিকে বিভিন্নভাবে চাপ দিতে থাকে। মেয়েটি প্রেম করে বিয়ে করেছে বলে বাবার বাড়িতে বিষয়টি বলতে অপারগতা প্রকাশ করে।
২৫ আগস্ট রাতে ছেলের পরিবারের সদস্যদের চক্রান্তে দুইটি জুসের বোতলের একটিতে কী’টনাশ’ক মিশিয়ে ছেলে রুবেলের কাছে দিয়ে আসে তার মা। এসময় ছেলেকে বলা হয় তিনি কোন বোতল জুস খাবেন আর তার বউ কোনটা খাবেন। এরপর তারা দুইজনে বোতলের জুস খেয়ে রাতে ঘুমিয়ে পড়েন।
পরে মধ্যরাত থেকে শুরু হয় আরিফার শ’রীরে বি’ষক্রিয়া। ক্রমেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সকালে তাকে অসুস্থ অবস্থায় স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেয়ার পর সেখান থেকে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে আ’শঙ্কা’জনক অবস্থায়ই তাকে বাড়িতে নেয়া হয়। পরে যন্ত্রণায় ভুগে মঙ্গলবার ভোর রাতে মা’রা যান তিনি।
এ বিষয়ে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনার পর মেয়েটির স্বামীকে আ’টক করা হয়েছে এবং ম’রদে’হ উ’দ্ধার করে ম’য়নাতদন্তের জন্য পাবনা ম’র্গে পাঠানো হয়েছে।




