337612

দুই সহযোগীসহ ‘লেডি গ্যাং লি’ডার’ সিমি গ্রে’ফতার

চট্টগ্রামে আলোচিত সেই লেডি গ্যাং লিডার সিমি দুই সহযোগীসহ পুলিশের ক’ব্জায়। শুক্রবার দিনগত রাতে অভি’যান চালিয়ে তাদের গ্রে’প্তার করা হয় বলে জা’নান ইপিজেড থানার ওসি উৎপল বড়ুয়া।

অপর লেডি গ্যাং লি’ডার অধরা আহমদকে বাসায় গিয়ে মা’রধরে’র ঘটনায় দা’য়ের হওয়া মাম’লায় তাদের গ্রে’প্তার করা হয়। মোহনা আক্তার নামে এক নারী ওই মাম’লা দা’য়ের করেন বলে জানান ওসি উৎপল বড়ুয়া।তিনি জানান,

মা’মলায় গ্রে’প্তার’কৃত বাকি দু‘জন হলেন-হালিশহর থানার নয়াবাজার এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো. শাখাওয়াত, বন্দর থানার ইস্ট কলোনী এলাকার আজিবুর রহমানের ছেলে মো. লামিম শাওন। এ মাম’লায় আরো ৩ জনকে আসা’মি করা হয়েছে। তাদের গ্রে’প্তা’রের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ জানায়, গ্যাং কা’লচার বি’রোধে’র জে’র ধরে অধরা আহমেদ (২২) নামের এক তরুণীকে ২৪ আগস্ট তার বাসায় ঢুকে বেধ’ড়ক মা’রধর করে কিশোরি লে’ডি গ্যাং লি’ডার সিমি গ্রুপের দল। মা’রধ’র ছাড়াও তারা ওই তরুণীর বুকের দিক থেকে জামা টেনে ছিঁ’ড়ে ফেলে।

পরে হাম’লাকা’রীরাই মা’রধ’রের ঘটনা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাই’রাল করে। ইপিজেড থানার বন্দরটিলা ক’সাই গ’লি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।অধরা জানান, অনলাইনে পরিচয়ের পর শাখাওয়াত নামের এক কিশোরের প্রেমের প্রস্তা’ব প্র’ত্যাখ্যা’ন এবং ওই কিশোরের অ’নৈতিক বিভিন্ন প্রস্তাবের প্র’তিবাদ করায় লে’ডি গ্যাং লি’ডার সিমির নেতৃত্বে পাঁচ জন মিলে তার বাসায় হা’ম’লা করে।

এরমধ্যে সিমি ও শাখাওয়াত ছাড়া তানিয়া(১৭), শাওন(২২) ও আরেফিন(২২) নামে তিন জন রয়েছে। অ’ভিযু’ক্ত শাখাওয়াতের বাসা আগ্রাবাদ কমার্স কলেজ এলাকায়। তিনি জনৈক রফিকের সন্তান। তানিয়া পড়াশোনা করে নগরীর বন্দরটিলা সিটি করপোরেশন কলেজে। আর সিমরান সিমির বাসা নগরীর সিমেন্ট ক্র’সিং এলাকায়।

অধরা জানান, তার গ্রামের বাড়ি খুলনা বাগেরহাটে। ৬ বছর আগে পিতা মা’রা গেছেন। এক ভাই ও মাকে নিয়ে এই বাসায় ভাড়া থাকেন। পাশেই বড় বোনের বাসা। ঘটনার সময় তার ভাই গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। আর মা ছিলেন বাইরে। ওই সময় ঘরে একাই ছিলেন অধরা।

ঘটনার বি’বরণ দিয়ে অধরা বলেন, ঘটনার দিন শাখাওয়াত কল করে তাকে নিচে নামতে বলেন। নিচে না যাওয়ায় তারা দুই তলার ওপর উঠে আসে। এ সময় সিমি প্রথমে তাকে মা’রধ’র শুরু করে। পরে শাখাওয়াতসহ অন্যরাও হা’ম’লা’য় অংশ নেয়।

ad

পাঠকের মতামত