336915

মোদির বাবার চায়ের দোকান কোথায়?

ভারতে একটি রেল স্টেশনে বাবার সঙ্গে চায়ের দোকানে কাজ করতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এমনটা কয়েক বার নিজেই অকপটে শিকার করেছেন। কিন্তু সেই চায়ের দোকানটি ঠিক কোথায়, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলেনি মোদি। এ নিয়ে রীতিমতো রহস্যের জট তৈরি হয়েছে। এবার সেই রহস্যের জট খুলতে মাঠে নেমেছে আইনজীবী ও সমাজকর্মী পবন পারেখ।

ইতোমধ্যে তিনি পশ্চিম রেলের সেন্ট্রাল পাবলিক ইনফরমেশন অফিসারের কাছে আবেদন করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, বডনগর স্টেশনের বাইরে প্রধানমন্ত্রীর বাবা দামোদরদাস মোদির চায়ের দোকান সম্পর্কে তথ্য চাই। এবং কোন সালে ওই দোকানটির লাইসেন্স মঞ্জুর হয় তা জানতে চান তিনি। সেই সংক্রান্ত কোনও নথি পাওয়া যাবে কিনা, তাও জানতে চান তিনি।

কিন্তু সেই আবেদনের কোনও জবাব না আসায় সরাসরি সেন্ট্রাল ইনফরমেশন কমিশনে অ্যাপিল করেন তিনি। তারও কোনও জবাব না মেলায় সম্প্রতি দ্বিতীয় বার অ্যাপিল করেন। তাতেই তাকে জানিয়ে দেওয়া হয় যে, অনেক দিন আগের ঘটনা এটা। আমদাবাদ ডিভিশনের কাছে এই সংক্রান্ত কোনও রেকর্ড নেই।

এ বছর ১৭ জুনের আগে পবন পারিকের কোনও অ্যাপিল তার হাতে আসেনি জানিয়ে তার দ্বিতীয় আপিলটি খারিজ করে দেন ইনফরমেশন কমিশনার অমিতা পাণ্ডবে। এই সংক্রান্ত কোনও রেকর্ড তাদের কাছে নেই জানিয়ে ইনফরমেশন কমিশনকে একটি হলফনামাও জমা করতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে এবং ট্রেনে প্রধানমন্ত্রীর চা বিক্রি করার বিষয়টি যাচাই করতে ২০১৫ সালে তথ্য জানার আইনে আবেদন জমা দেন কংগ্রেস সমর্থক হিসেবে পরিচিত বিশিষ্ট সমাজকর্মী তেহসিন পুনাওয়ালাও। স্টেশন চত্বর ও ট্রেনে চা বিক্রির জন্য প্রধানমন্ত্রীকে কোনও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেওয়া হয়েছিল কি না, সেই সংক্রান্ত তথ্য জানতে চান তিনি। কিন্তু ওই সংক্রান্ত কোনও তথ্য তাদের কাছে নেই বলে সেইসময় তাকে জানিয়ে দেন রেল কর্তৃপক্ষ।

২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে প্রত্যেক নাগরিকের অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ রুপি জমা দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। তা নিয়ে ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের কাছে তথ্য জানার আইনেই আবেদন জানান পবন পারেখ। সেই সময়ও তার আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। ২০১৭ সালে সোহরাবউদ্দিন এনকাউন্টার মামলায় অমিত শাহের অব্যাহতি পাওয়া নিয়ে আবেদন জানালে, সেখান থেকেও খালি হাতেই ফিরতে হয় তাকে।

সূত্র-আনন্দবাজার পত্রিকা।

ad

পাঠকের মতামত