336235

তরুণী চিকিৎসককে তিন গু’লির পর কুপি’য়ে খণ্ডবি’খণ্ড করলেন অপর চিকিৎসক!

মাত্র এক সপ্তাহ আগে গাইনোকলজি ও অবস্টেট্রিকসে মাস্টার অব সা’র্জারি করেছিলেন ৩০ বছরের তরুণী এই ডাক্তার। ভারতের দিল্লির শিবপুরীর বাসিন্দা যোগীতা গৌতম আগ্রার এস এন মেডিক্যাল কলেজ থেকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। সেখানেই তাকে খু’ন করা হলো কু’পিয়ে। র’ক্তাক্ত ও ক্ষ’তবি’ক্ষত দে’হ কাঠের তক্তার নিচ থেকে উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃ’ত্যুর আগে একাধিকবার ধারালো অ’স্ত্র দিয়ে কো’পানো হয় তাকে। এরপর তার মুখ ক্ষ’তবি’ক্ষত করে দেওয়া হয়।

বুধবার ( ১৯ আগস্ট) খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না যোগীতাকে। বৃহস্পতিবার রাতে উদ্ধার হয় যোগীতার দে’হ। এই ঘটনায় যোগীতার সহকর্মী ও সিনিয়র ডাক্তার বিবেক তিওয়ারিকে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যে তিনি তার নিজের অ’পরাধ স্বীকার করেছেন।

জানা গেছে, প্রায় সাত বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল তাদের। সম্প্রতি সে সম্পর্কে চিড় ধরে। ফলে প্র’তিহিংসাপরায়ণ হয়ে উঠেছিলেন বিবেক। গত মঙ্গলবারই বিবেক দেখা করতে গিয়েছিলেন যোগীতার সঙ্গে। সেদিনই তাদের মধ্যে ঝ’গড়া হয়।

পুলিশকে বিবেক জেরায় বলেছেন, ঝগ’ড়ার পরই আমি ওকে টেনে নিয়ে গিয়ে ধা’রালো ছু’রি দিয়ে কো’পাই। কাঠের একাধিক তক্তার নীচে ওর দে’হ ফেলে দিই।

ম’য়নাতদন্তের রিপোর্টে যদিও যোগীতার দে’হ থেকে তিনটি গু’লিও পাওয়া গিয়েছে। একটি মা’থায়, দুটি বুকে লেগেছিল। গ’লাতেই গভীর ক্ষ’তচিহ্ন রয়েছে। বিবেক তিওয়ারির কানপুরের বাড়ি থেকেই যোগীতাকে অ’পহরণ করার গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। বাবা বিষ্ণু তিওয়ারির লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব’ন্দুক ব্যবহার করেই যোগীতাকে খুন করেছেন বিবেক। যোগীতার দাদা মহিন্দ্রও দিল্লির একটি হাসপাতালের ডাক্তার। তিনিও জানিয়েছেন, যোগীতার মাথা থেঁতলে দেওয়া হয়েছিল।

ad

পাঠকের মতামত