334661

সিনহাকে ‘হত্যা’র পর ‘বাঁ’চার জন্য’ আইনজীবীকে ফোন ওসি প্রদীপের (অডিও)

নিউজ ডেস্ক।। টেকনাফে পুলিশের গু’লিতে সিনহার মৃ’ত্যুতে ঝামেলা হতে পারে, টের পেয়ে আগেই বিষয়টি আ’ইনিভাবে মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন প্রদীপ কুমার। সময় সংবাদের হাতে আসা একটি অডিও ক্লিপে তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ঘটনার পরদিনই এক আইনজীবীকে ফোন দিয়ে শলা-পরামর্শ করেন তিনি।

৩১ জুলাই রাতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের মৃ’ত্যুর পরই টেকনাফ থানার সে সময়ের ওসি প্রদীপ কুমার বুঝে গিয়েছিলেন বড় কিছু ঘটতে যাচ্ছে।

সময় সংবাদের হাতে আসা একটি ফোনালাপে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে; নিজেকে ওসি প্রদীপ পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি আ’ইনি পরামর্শ চাইছেন। ঈদের দিন দেয়া সেই ফোনে তিনি ঘটনার খুঁটিনাটি তুলে ধরেন।

ফোনালাপে ওসি বলেন, ‘স্যার আমি টেকনাফ থানার ওসি বলছি, স্যার একটা মহা বিপদে পড়েছি আপনার একটু সাহায্য লাগবে। স্যার আমরা ১৫৩, ১৮৬ ও ৩০৭ এর নামে একটা মা’মলা নিয়েছি।

ওই আইনজীবী বলেন, সরকারি কর্মচারী অ্যাসল্টের, আর..

ওসি বলেন, ১৮৬ পুলিশের কাজে বাধা প্রদানকারী। ওনি অবসরপ্রাপ্ত আর্মি। তাহলে এত ভ’য়ের কি আছে…

কীভাবে আইনিপথে এগুলো পার পাওয়া যাবে তার উপায় বলে দেন সেই আইনজীবী।

আইনজীবী বলেন, তোমরা একটা কাজ করো। ৩০৪-এ একটা মাম’লা নিয়ে নেও।

প্রদীপ আরো বলেন, স্যার এই মা’মলায় আমরা কী লেখবো; যেহেতু আসামি মারা গেছে মৃ’ত্যুর জন্য এই মা’মলা নেয়া হলো।

ওসি প্রদীপ বলেন, গু’লি-তো পুলিশ করেছে।

আইনজীবী বলেন, এই এজহারটা পুরো লেখবা। এই কারণে তাকে অবসট্রাকশন করে আটকানো হয়েছে। এরপর মা’মলা রুজু হয়েছে।

৩১ জুলাই রাতে শামলাপুরের পাহাড়ি এলাকা থেকে শুটিংয়ের কাজ শেষে ফেরার পথে তল্লাশির সময় পুলিশের গু’লিতে নিহ’ত হন সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর সিনহা। এ ঘটনায় দায়ের করা মা’মলায় এখন পুলিশের হেফাজতে আছেন প্রদীপ কুমারসহ নয় আ’সামি। উৎস: সময়নিউজটিভি।

ad

পাঠকের মতামত